

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে অনেক গুলো প্রেসক্লাব! যে, যে ভাবে পারছে সে ভাবেই প্রেসক্লাবের নাম বিকিয়ে যাচ্ছেতাই করে যাচ্ছে বলে একাধিক মাধ্যম থেকে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী দালালীপুর্ন সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের নামে যখন মীরসরাইতে ভরপুর অবস্থা তখন জোরারগঞ্জ থানা এবং বারইয়ারহাট পৌরসভা প্রেসক্লাব নাম দিয়ে কারা, কি করার মানসে চলাচল করে যাচ্ছে বর্তমান বিএনপি সরকারের শাসনামলে তা বিএনপি নেতাদের- ই খবর রাখার দরকার ছিলো এবং রয়েছে ও। অথচ, তারা কেউ তা না করে উল্টো কতিপয় ব্যাক্তিদের যোগসাজশ পূর্ন জোরারগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্বোধন করার নামে যে বা যারা উপস্থিত থেকে বক্তব্য রেখে তাদেরকে বৈধতা দিয়ে আসলেন তারা কি বিতর্কের উর্দ্ধে থাকতে পারবেন?
যতোদূর জানা সম্ভব হয়েছে তাতে দেখা গেছে- মীরসরাইয়ের বিএনপি দলীয় এমপি নুরুল আমিন কে প্রধান অতিথি করা হলে ও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। এবং আরো কয়েকজন দায়িত্ব রত: নেতা ও উপস্থিত ছিলেন না।
অথচ প্রক্ষান্তরে মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মাইন উদ্দিন লিটন এবং ওলামা দল নেতা মাওলানা জমির উদ্দিন উপস্থিত থেকে বক্তব্য রেখে তাদেরকে বৈধতা দিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়ে দিলেন!?
বলতে দ্বিধা নেই যে, উক্ত জোরারগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব নামে যেটার উদ্বোধন করা হয়েছে ১৮ জুলাই (শনিবার) ওই অনুষ্ঠানে মীরসরাইতে কর্মরত: দেশের শীর্ষ স্থানীয় জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় কোন্ কোন্ পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন?
এবং ওই জোরারগঞ্জ প্রেসক্লাব নামক উদ্বোধনকৃত ওই কমিটিতে দেশের শীর্ষ স্থানীয় কোন্ কোন্ পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন?
যদি ওই রকম শীর্ষ স্থানীয় কোনো পত্রিকার প্রতিনিধি/সাংবাদিকরা না থাকলে ওই প্রেসক্লাবের কমিটি কাকে দিয়ে করা হয়েছে? যাদেরকে দিয়ে করা হয়েছে তারা হয়তো বা দেশের কোনো খান থেকে যেনতেন আকারে বের করা (যাহা যে কোনো মুহুর্ত্বে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ও সম্ভাবনা) কোনো না কোনো পত্রিকার প্রতিনিধি। কিন্তু, ওই সব পত্রিকা সময় সময় বের হলে ও মার্কেট হীন।
অনেকের মতে, যদিও বা ওই বিষয়টি সাংবাদিকদের এখতিয়ার। তবে, দল যেহেতু ক্ষমতায় সেহেতু বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতারা চোখ কান খোলা রেখে দেখার বা অনুভবে রাখার দরকার যে, বিগত ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনামলে দলীয় নেতা কর্মীদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে রাস্তা, মাঠ-ঘাটে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত কে ছিলো? এবং এখন কে বা কারা উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো বিএনপি’র সাংবাদিক হিসেবে নাম ব্যবহার করে কি করে যাচ্ছে। তা বিচার বিবেচনায় না রেখে আগামীতে দলের পদ-পদবী পাওয়ার মানসে বা সামনের নির্বাচনে কিছু না কিছু হওয়ার মানসে সাংবাদিক নামধারী ওই সব ব্যাক্তিদের হাতে রাখার মানসিকতায় তাদের যে কোনো ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের যে কোনো কিছুকে বৈধতা দিয়ে দেয়া দলীয় দৃষ্টি ভঙ্গিতে জঘন্য তম: অপরাধের সামিল।
আপনার মতামত লিখুন :