

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে ও পিতাকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। সপ্তাহ পেরুলেও জামিন ছাড়াই প্রকাশ্যে এজাহার নামীয় ৪ আসামী। মামলা তোলার হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগীরা।
বাগমারা থানায় দায়ের হওয়ার এজাহার সূত্রে জানা যায়,
গত ১২ মার্চ উপজেলা রামরামা অরঙ্গবাদ হিন্দুপাড়া আম গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে আমজাদ হোসেন, ছেলে মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সাথে প্রতিবেশী ভুট্রুর ছেলে আলমগীর হোসেনের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। এরই সুত্র ধরে বিকাল চার টার দিকে মোঃ ইয়াদুল, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ ভুট্ট, মোছাঃ ফুকী বিবি, মোছাঃ রেহেনা বিবি, মোঃ এনামুল হক, মোঃ কাশেম, মোঃ রেজাউল করিম,মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, মোঃ মিনহাজ সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ মিলে হাসুয়া, দা, কুড়াল, লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায়। দায়ের কোপে আমজাদ হোসেনের মাথায় ৮ টি সেলাই পড়েছে। বাদীর ভাই আফজাল হোসেনকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে রগ কেটে দেয়, আরেক ভাই রাজ্জাক হোসেনকে রড দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়েছে আসামীরা।
ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেন জানান, আমাদের গাছের সব ডাল কেটে আমার পিতা, দুই ভাইকে পিটিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছেন প্রতিপক্ষরা।
বাগমারা থানায় মামলা নিতে নানা তালবাহানা করেছিলেন। মামলা দায়ের হয়েছে শুধু একটা আসামী গ্রেপ্তার করে চালানা করেছিলেন। মামলার ১নং আসামী ইয়াদুল,২ নং আলমগীর, ১০ নং মিনহাজুল,১১ নং মিনহাজ আদালতের জামিন ছাড়াই প্রকাশ্যে ঘুরছেন । আসামী মিনহাজের পিতা
মান্নান মামলা তোলার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। না তুললে জানে মেরে ফেলবে। যেকোনো মুহুর্তে আমাদের উপর প্রাণঘাতী হামলা হওয়ার শঙ্কায় রয়েছি। দ্রুত বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি।
আসামীদের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইদুল আলম জানান, তদন্ত কারী কর্মকর্তা বলতে পারবেন। এটা তাহেরপুর ফাঁড়ির আন্ডারে হতে পারে। ওখানে হয়তো কোনো আয়ো তদন্ত করছেন। এই বিষয়ে আমার জানানেই।
আপনার মতামত লিখুন :