

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর র চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে সড়ক সহ বিভিন্ন জায়গা দখল করে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে ব্যবসা চলানোয় বাজার কমিটির অভিযানে তা উচ্ছেদ করা হয়েছে।তবে, আর যেনো না বসানো হয় তার গ্যারান্টি সহকারে কার্যকর ব্যবস্থা চায় মানুষ।
পারবে কি বাজার কমিটি মানুষের চাওয়া পাওয়ার সেই গ্যারান্টি দিতে?
সূত্রমতে, উত্তর চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারের অলিগলি এবং ফেনী-রামগড়-খাইড়াছড়ি/ বারইয়ারহাট- করেরহাট সড়কের দুই পাশ দখলে নিয়ে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে নানাবিধ: ফল, শাক-সবজি, মাছ, তরি-তরকারি বিকিকিনি করতে গিয়ে পুরো রাস্তাটা-ই প্রায় দখলে নেয়া হয়েছে! এ ছাড়া-সিএনজি’র কতিপয় প্রভাব প্রতিপত্তি চালিয়ে স্টান্ট করে যত্রতত্র সিএনজি দাঁড় করিয়ে রাখার ফলে, প্রতিবন্ধকতায় যানচলাচলে বিঘ্নতার কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় প্রতি নিয়ত:!! এবং তাতে লোকজনের চলাচল ও দুরহ হয়ে পড়ে।
এমতাবস্থায় দীর্ঘদিন পর ১৮ জুলাই দুপুরের দিকে বারইয়ারহাট বাজার কমিটির নের্তৃবৃন্দরা ব্যস্ততম: রাস্তার ওপর বসানো ভ্রাম্যমাণ দোকান গুলো সরিয়ে দেয়ার তৎপরতা চালায় বলে পাওয়া সংবাদে প্রকাশ।
তবে, তা দেখে অনেকেই বলাবলি করে যাচ্ছেন যে, ওই গুলো লোক দেখানো আইওয়াশ নয় তো? এখন সরানো হলো আবার বিকালে বা কালকে যথাস্থানে বসানো হবে না যে তার গ্যারান্টি দিবে কে?
এ ছাড়া বাজার কমিটির নের্তৃবৃন্দরা গোপনে সংবাদ পেয়ে মাছ বাজারে গিয়ে রঙ মেশানো অনেক গুলো মাছ জব্দ করেন। উক্ত রং মেশানো মাছগুলো খেলে মানবদেহের অত্যন্ত ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা শতোভাগ।
এই ভাবে যদি মীরসরাই উপজেলা প্রশাসন, বারইয়ারহাট পৌরসভা এবং বাজার কমিটি অভিযান চালায় তাহলে ব্যস্ততম: সড়ক হবে দখলমুক্ত এবং দেহের ক্ষতি কারক দিক ও রক্ষা পাবে রং সহ বিভিন্ন ক্ষতি কারক ক্যামিকেল মেশানো জিনিসাধি থেকে।
আপনার মতামত লিখুন :