[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

ভিডিও গেম খেলার ইস্যুতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, চার নং আসামী কে গ্রেপ্তার


sohel প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ন /
ভিডিও গেম খেলার ইস্যুতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, চার নং আসামী কে গ্রেপ্তার

আমাদের জন্মভুমি ডেক্স

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ভিডিও গেম খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বাজুবাঘা ইউনিয়ন বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু ওরফে লাতু গুরুতর আহত হয়েছেন। দেশীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মাথায় গুরুতর জখম হলে চিকিৎসক ১৮টি সেলাই দেন। তিনি বর্তমানে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার ৪ নং আসামি বিএনপি নেতা ফরিদ (২৫)কে রোববার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, ফরিদের হুকুমেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীদের দাবি, ভিডিও গেম খেলাকে কেন্দ্র করে তিনদিন আগে লাতুর ছেলেকে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে একই এলাকার একটি বাজারে লাতুর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা ফরিদ মণ্ডলের নির্দেশে বিএনপি কর্মী রমজান আলী দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে লাতুর মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাথায় ১৮টি সেলাই দিয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উক্ত ঘটনায় আহত লাতুর ছেলে পিয়াস (২০) বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রোববার গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে ৪ নং আসামি ও মারপিটের হুকুম দাতা ফরিদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী জানান , এই মারপিটের হুকুমদাতা ফরিদ গ্রেপ্তারের পর সোমবার সকাল থেকে অভিযুক্তকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য থানায় বিভিন্ন ভাবে অনেক তদবির করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দেরিতে হলেও দুপুরে পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরণ করেছেন।

এ বিষয়ে বাজুবাঘা ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক পিন্টু ওরফে লাতু জানান, চন্ডিপুর এলাকায় আমার ছেলে-সহ কয়েক বন্ধু মিলে ভিডিও গেম খেলাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল হয়। আমি এ বিষয় জানার আগেই রমজান আলী দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করে।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক জানান, যে কাওকে গ্রেফতারের পর মানুষ তদবির করতেই পারে। এটা কোন বিষয় নয়, তবে

গ্রেপ্তারকৃত ৪ নং আসামি ফরিদকে থানা হাজতে এনে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় তাকে সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে

Bangla Photocard Generatorv3.7