

(বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:- মোঃ নুরুল আলম)
৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সারা দেশের মতো বান্দরবান জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোতেও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে সুবিধাভোগী ও তথাকথিত ‘হাইব্রিড’দের মূল্যায়নের অভিযোগ উঠেছে। এতে তৃণমূলের পরীক্ষিত ও দুর্দিনের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বিগত সরকারের দুঃসময়ে যাঁরা মামলা-হামলা, পুলিশি হয়রানি ও জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে দলীয় আদর্শ টিকিয়ে রেখেছিলেন, আজ তাঁরাই দলীয় বিভিন্ন কার্যক্রম ও পদ-পদবি থেকে উপেক্ষিত। অথচ যাঁরা ৫ই আগস্টের আগে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের সাথে গোপন আঁতাত করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও নানা সুযোগ-সুবিধা জিইয়ে রেখেছিলেন এবং দলের নাম পর্যন্ত মুখে আনতে পারেননি,
৪১সালের আগে বিএনপি আর ক্ষমতায় আসবেনা বলেছে। তাঁরাই এখন রাতারাতি বড় বড় ব্যানার-ফেস্টুনে নিজেদের ছবি ছাপিয়ে এবং কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সাথে সেলফি তুলে নতুন রাজনৈতিক নেতা বনে গেছেন।
তৃণমূলের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, জেলা, উপজেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের পদ-পদবিতে আজ এই সুবিধাভোগী চক্রের আধিপত্য চলছে। অন্যদিকে, দলের প্রকৃত ত্যাগী ও রাজপথের লড়াকু কর্মীদের সুকৌশলে কোণঠাসা ও মূল দল থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। রাজনীতিসচেতন মহলের মতে, দলের দুর্দিনের লড়াকু সৈনিকদের এভাবে অবমূল্যায়ন করা হলে তা সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তৃণমূলের এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভও অসন্তোষ নিরসনে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃত্বকে আরও কঠোর, দূরদর্শী এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা।
আপনার মতামত লিখুন :