

আমাদের জন্মভুমি ডেক্স
রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এবং তৃণমূল মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত এক বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে ঘিরে নতুন আশার আলো দেখছেন নগরবাসী। সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম জোরালোভাবে আলোচনায় আসায় নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, তাঁর মতো একজন ‘রাজশাহী দরদী’ ও অভিজ্ঞ সেবক দায়িত্ব নিলে থমকে যাওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে গতি ফিরবে এবং নগরীর প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবমুখী নেতৃত্ব
দীর্ঘদিন যাবৎ রাজশাহীর রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায় মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডের অলিগলি এবং স্থানীয় মানুষের সমস্যাগুলো তাঁর নখদর্পণে। বিশ্লেষকদের মতে, চেয়ারে বসে রুটিন মাফিক কাজ করার চেয়ে মাঠপর্যায়ে গিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করার মানসিকতাই তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে।
সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক উচ্চপদে এমন একজনের উপস্থিতি প্রয়োজন যিনি কেবল ফাইল দেখে নয়, বরং বাস্তব সমস্যাগুলো প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার আলোকে অনুধাবন করতে পারেন। এতে করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও বেশি বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী হবে।
অসমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন সম্ভাবনা
গত কয়েক মাস ধরে নগরীর বেশ কিছু মেগা প্রজেক্ট এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজে মন্থর গতি লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে নগরবাসী যেসকল সমস্যার দ্রুত সমাধান চাইছেন:
রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ: বর্ষা মৌসুম আসার আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ভাঙা রাস্তা সংস্কার।
পরিচ্ছন্নতা অভিযান: আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
নাগরিক সেবা: জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে নাগরিক সনদ প্রাপ্তিতে ভোগান্তি নিরসন।
প্রশাসক হিসেবে তাঁর সম্ভাব্য আগমন এই স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, বরং একজন নগর সেবক হিসেবে জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।
নগরবাসীর প্রত্যাশা ও আগামীর রাজশাহী
রাজশাহীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর দূরদর্শী চিন্তাভাবনা সবসময়ই প্রশংসিত হয়েছে। সাধারণ ভোটার ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের মতে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এমন একজন ব্যক্তির নেতৃত্ব জরুরি যিনি সকল পক্ষকে আস্থায় নিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারেন।
”রাজশাহীর মাটি ও মানুষের সাথে যার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, তিনিই পারেন এই ঐতিহাসিক নগরীকে একটি আধুনিক মেগাসিটিতে রূপান্তর করতে। আমরা এমন একজন প্রশাসক চাই যিনি দাপ্তরিক গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের নাড়ির স্পন্দন বুঝবেন।”
— রাজশাহীর একজন বিশিষ্ট নাগরিক।
উপসংহার
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব এবং গতিশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে একজন সুযোগ্য মোঃ সাহিদ হাসান এর বিকল্প নেই। রাজনৈতিক মহলের আলোচনায় থাকা এই ব্যক্তিত্ব যদি দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তবে রাজশাহীর অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ দ্রুত শেষ হওয়ার পাশাপাশি একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক গ্রিন সিটির স্বপ্ন পূরণ হবে—এমনটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের কামনা।
আপনার মতামত লিখুন :