পূর্বাহ্ণ ০২:১০
শনিবার
১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা পাড়ের আড্ডায় নতুন স্বাদ: রাজশাহী মুক্তমঞ্চের লোভনীয় ‘ঝালমুড়ি’


sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন /
পদ্মা পাড়ের আড্ডায় নতুন স্বাদ: রাজশাহী মুক্তমঞ্চের লোভনীয় ‘ঝালমুড়ি’

এম,মরিওম,স্টাফ রিপোর্টার
​বিকেলের সোনাঝরা রোদ গড়িয়ে যখন পদ্মা পাড়ে সন্ধ্যা নামে, তখন রাজশাহী মুক্তমঞ্চ ঘিরে জমে ওঠে হাজারো মানুষের ভিড়। প্রাকৃতির স্নিগ্ধ বাতাসের সাথে সেখানে যোগ হয় এক বিশেষ আকর্ষণ—মুক্তমঞ্চের সুপরিচিত ও লোভনীয় ‘ঝালমুড়ি’। স্বাদে অনবদ্য আর গন্ধে অতুলনীয় এই ঝালমুড়ি এখন পদ্মাপাড়ের আড্ডাপ্রেমীদের কাছে এক অবধারিত অনুষঙ্গ।​মুক্তমঞ্চ এলাকার ঝালমুড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিশেষ মসলা এবং উপাদানের সঠিক মিশ্রণ। মচমচে মুড়ি, সেদ্ধ চানা বা মটর, কুচানো পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, খাঁটি সরিষার তেল এবং বিক্রেতাদের নিজস্ব গোপন মসলার ছোঁয়া—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক জাদুকরী স্বাদ।
​তাছাড়া ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী চাট মসলা, আচার কিংবা তেঁতুলের টক দিয়ে তৈরি বিশেষ এই ঝালমুড়ি মুখে দিলেই জিভে জল চলে আসে।পদ্মা নদীর মাতাল হাওয়ায় বসে বন্ধুদের আড্ডা কিংবা পরিবারের সঙ্গে কাটানো সুন্দর সময়—ঝালমুড়ির ঠোঙা হাতে না থাকলে যেন তা অসম্পূর্ণই থেকে যায়।শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মুখরিত থাকে মুক্তমঞ্চ এলাকা।খুব কম খরচে পদ্মাপাড়ের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করার পাশাপাশি চমৎকার রসনাবিলাসের সুযোগ করে দেয় এই ঝালমুড়ি।পদ্মা পাড়ে ঘুরতে এসে মুক্তমঞ্চের ঝালমুড়ি না খেলে সন্ধ্যার ভ্রমণটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এর বিশেষ মসলার স্বাদ সত্যিই অদ্ভুত আর লোভনীয়।” — নিয়মিত এক দর্শনার্থী।রাজশাহীর ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাথে পদ্মা নদী যেমন ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তেমনি মুক্তমঞ্চের এই ঝালমুড়িও এখন শহরের খাদ্য সংস্কৃতির এক অনন্য অংশ হয়ে উঠেছে। নদীর হাওয়া, প্রিয়জনদের কোলাহল আর হাতের গরম গরম ঝালমুড়ির ঠোঙা—এই তিনে মিলে রাজশাহী মুক্তমঞ্চ প্রতিদিন উপহার দেয় এক অপরূপ ও সুস্বাদু অভিজ্ঞতা।