

জাহিদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কোনো ধরনের অসম্মান বা অবমাননাকর আচরণ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও স্বজনরা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছেন। দেশের মানুষের নিরাপত্তা, মা-বোনদের সম্মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে তাঁরা অসীম ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁদের এই অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তাঁরা আরও বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও সম্মানের বিষয়টি সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। স্বাধীনতার জন্য যাঁরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাঁদের মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।
মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে খাটো করে দেখা বা তাঁদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন করা শুধু একজন ব্যক্তির প্রতি অসম্মান নয়; বরং তা দেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতীয় অর্জনের প্রতিও অবমাননা।
তাঁরা সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ দেশের মানুষ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে বসবাস করছে।
বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা সরকার, সমাজ এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।
আপনার মতামত লিখুন :