

লালপুর(নাটোর)প্রতিনিধি
লাভ জনক হওয়ায় লালপুরে ভুট্টা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। থানার আবাদ যোগ্য জমি অধিকাংশ জমিতে এখন ভুট্টা চাষে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা বলেছেন অনুকূল আবহাওয়া এবং বাজারে ভালো দামের কারণে চলতি মৌসুমে বিঘা প্রতি খরচ বাদ দিলেও উল্লেখযোগ্য লাভের আশা করছেন তারা। প্রায় দু দর্শক আগে স্বল্প পরিসরে ভুট্টা চাষ শুরু হলে ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটা এখন অন্যতম ফসলে পরিণত হয়েছে। পুষ্টি গুণ ও বহুমুখী ব্যবহার থাকায় স্থানীয় কৃষকেরা ধীরে ধীরে ভুট্রা উৎপাদনের দিকে ঝুকছে। কৃষকদের ভাষ্য অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম পাশাপাশি এলাকায় গবাদি পশু ও মাছের খামার বৃদ্ধি পাওয়ায় ভুট্রা চাহিদা ও বেড়েছে। এতে বাজারে বিক্রির সুযোগ বাড়ায় আবাদ সম্প্রসারিত হচ্ছে। চাষিরা জানাই প্রতি বিঘা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হলে ও উৎপাদন থেকে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ মন ভুট্রা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বিঘা প্রতি প্রায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভের আশা করছেন তারা। তবে বাজারে দরের উঠানামার কারণে লাভের পরিমাণ কিছুটা কম বেশি হচ্ছে বলে ও জানান কৃষকেরা। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী লাল পুরে মোট ২২হাজার ৬৬০হেক্টর আবাদ যোগ্য জমির মধ্যে ৯৯৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হচ্ছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, মার্চের শেষ থেকে এপ্রিলের মধ্য ভুট্টা সংগ্রহ শেষ হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে এবারেরও মৌসুমে আবহাওয়া
অনুকূলে থাকায় কৃষকেরা ভালো ফলন ও লাভের আশা করছেন। লালপুর কৃষি কর্মকর্তা বলেন,আবহাওয়া ও সঠিক পরিচর্যা অব্যাহত থাকলে উৎপাদন আর ও বাড়তে পারে। স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ভুট্টার ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। মানুষ গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসেবে এর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা এ ফসলের দিকে আর ও বেশি ঝুঁকছেন।
আপনার মতামত লিখুন :