

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় বিএনপি’র নেতা নামের মুখোশধারী কিছু ব্যাক্তি এখন লেবাসের আড়ালে আওয়ামী লীগের কিছু নেতা কর্মী এবং আওয়ামী পক্ষপাতপুষ্ট কিছু সাংবাদিক নামধারী ব্যাক্তি বিশেষ এর পক্ষে সাফাই গেয়ে চলতে দেখা যাচ্ছে!
বলতে দ্বিধা নেই যে, মীরসরাইয়ের প্রায় সব সাংবাদিক নামের কলংকিত ব্যাক্তিরা তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছ থেকে পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে চলেছে!
ফলে, তারা তাদের বিরুদ্ধে কলম চালাবে কি ভাবে?
বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ নেতা এক ভাই/বন্ধু অতি দুঃখের সহিত লিখে জানিয়েছে- বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে তার ওপর হামলা, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং বাড়ি ঘরে ও হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুট যজ্ঞ চালিয়েছিলো। কই তখন তো আওয়ামী লীগের কোনো নেতা দুঃখ প্রকাশ করে কিছু বলেননি! অথচ, এখন আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল্লাহ দিদারের বাড়িতে নাকি হামলা চালিয়ে তার দলের- ই লোক পারিবারিক বিরোধে। আর তাতে বিএনপি’র কিছু নেতা দরদ দেখিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে যাচ্ছে!
এ ছাড়া সে তার ওপর হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়ে মীরসরাইয়ের প্রায় সব সাংবাদিকদেরকে জানানোর পরে ও তারা সেই বিষয়ে লিখেননি! অথচ, এখন তারা সাইফুল্লাহ দিদারের বাড়িতে হামলার ঘটনা নিয়ে নিউজ করে যাচ্ছে!!
সত্য কথা হলো- গত ৫ তারিখের পরে ওই সব আওয়ামী দল কানা সাংবাদিকদেরকে মধ্যে অনেকেই পালিয়ে গিয়েছিলো! এখনো ৩/৪ জন পলাতক ও রয়েছে। অল্প কয’মাস পর বিএনপি’র দুই নম্বরী নেতা কর্মী নামধারীদের সাথে গোপন যোগসাজশের মাধ্যমে বহাল তবিয়তে ফিরে এসে উপরে তাদের দালালী চামচামি করে চলছে। আর ভিতরে তাদের পুটকিতে বাঁশ দেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে সুযোগ সুবিধা ও হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু তাই নয় ওই সব বিএনপি’র নেতা নামধারীদের পকেট থেকে ও ভালো টাকা পাচ্ছে তারা !
বিএনপি’র ওই সব নেতা কর্মীরা লাখোপতি- কোটিপতি বনে যাওয়ার কারনে তারা অতিতকে ভুলে গেছে!
তাই জানার আগ্রহ রাখছি- তৎসময়ে মীরসরাই পাইলট হাইস্কুলের পাশে -ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোলঘেঁষে যারা বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে জনতার মঞ্চ বানিয়ে তাতে মাইক লাগিয়ে দিন-রাত কান জ্বালা পালা অশোভন বক্তব্য দিয়েছিলো তারা তো এখন বিএনপি’র ওই সব দুই নম্বরী নেতা নামধারীদের সাথে হেসে হেসে হাঁটাচলা করছে, দিব্যি খাচ্ছে এবং আগের মতো-ই মোটা অঙ্কের টাকা বানিয়ে নিচ্ছে???????????
দেখে খুব বেশি দুঃখ লাগার কথা, যখন তাদেরকে এমপি’র আশেপাশে ও দেখা যায়! এবং কোনো কোনো বিএনপি’র নেতাদের গাড়িতে (যাদের কাছে আগে গাড়ি কেনার টাকা ছিলো না) ও দেখা যায়। তা দেখে হিংসা নয় দুঃখ লাগে।
আল্লাহ- ই জানেন- যার বা যাদের হাতে দলের অসংখ্য নেতা কর্মী মার খেয়েছিলো এমন কি দল করা ছাড়া ও বিএনপি’র একমাত্র পত্রিকা দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সাংবাদিক হওয়ার কারণে এ এ প্রতিবেদক নিজে ও যার বা যাদের হাতে মার খেয়ে রক্তাক্ত হয়েছিলেন তাদেরকে ও ওই সব বিএনপি’র সুবিধা বাদী নেতা কর্মী নামধারীদের সাথে দেখতে পাওয়া যায় কি না?
আপনার মতামত লিখুন :