

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলীয় নেতা-কর্মী সহ দরীদ্র- অভাবী অন্যান্য মানুষদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলে নির্দেশনা দিলে ও তা কি বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতারা কি মেনে চলছেন? অবস্থাদৃষ্টে তা মনে না হওয়ার-ই কথা!
তারেক রহমান সাহেব দীর্ঘ বছর পর লন্ডন থেকে জন্মভূমি বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথে যে সব কর্ম দেখিয়ে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন তা বাংলাদেশের মাটিতে অন্য আর কেউ করে দেখাতে পেরেছেন কি না সন্দেহ।
এর পর যখন তিনি নির্বাচিত দল নিয়ে গঠিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন থেকে এ পর্যন্ত দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য যাহা করে দেখিয়েছেন তা অতিতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলে উদাহরণ সৃষ্টি করে সমগ্র বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে রিতি মতো হতচকিত করে দিয়েছেন।
এখন তিনি বললেন- নিজে খেয়ে এবং আরাম আয়েসে চললে হবে না যারা খেতে কষ্ট হচ্ছে এবং আরাম আয়েসে চলতে পারছেন না তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। এমন সুন্দর ও যুক্তিযুক্ত এবং মানবিকতা সম্পন্ন কথা অতিতের কে বলেছিলেন? এবং বর্তমানে ও বা কে বলে যাচ্ছেন?
নিঃসন্দেহে বলা চলে তারেক রহমান সাহেবের সুন্দর কথা এবং স্বচ্ছ মানসিকতার বহি:প্রকাশ তা।
উনার মতো যদি ওই রকম স্বচ্ছ মনোভাবাপন্ন হয় বিএনপি’র সকল পর্যায়ের দায়িত্ববান নেতারা তাহলে মানুষের উপকারে দলের জন্য বিশাল বোনাস অর্জিত হবে।
কিন্তু, বিএনপি’র মধ্যে কিছু নেতার শুধু ‘খাই খাই, পাই পাই ভাব’ দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর ওই মহা গুরুত্বপূর্ণ কথাটি অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত হতে বাধ্য!
সারাদেশের কথা যাহা শোনা যাচ্ছে তাতে দলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
প্রাসঙ্গিকতায় বলাবাহুল্য যে, চট্টগ্রাম ১ আসন মীরসরাইতে তারেক রহমান সাহেবের কোনো কিছু-ই যেনো মানতে নারাজ কতিপয় বিএনপি’র নেতা কর্মী নামধারীরা! তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত মতো-ই নানাবিধ: কর্ম/ অপকর্ম চালিয়ে শুন্য থেকে লাখোপতি- কোটিপতি বনে গেছে! এবং সেই পথে এখনো পরিচালিত হয়ে ধাবমান রয়েছে।
ফলে, বিএনপি’র জন্য এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের জন্য তারা-ই দুর্নামের বোঝা হিসেবে দলকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করছেন অনেকেই।
আপনার মতামত লিখুন :