

এম, এ কাশেম :
Mirsarai News Desk কার খায় এবং কার পরে সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো তাদের লিখনির সম্পর্কয়ায়িত বিষয়।
যদি ও তাদের মধ্যে কেউ কোনো পত্রিকায় আছে কী না তা আপাতত: ভাবনার বিষয় নয়। ভাবনার বিষয় হলো-তাদের লিখনির ধাঁচ। যে কোনো সাংবাদিক বা যে কোনো লেখক লিখতে গেলেই কারো পক্ষে যাবে আবার কারো বিপক্ষে যাবে যে সেটাই স্বাভাবিক। তাদের লেখা গুলো কার পক্ষে গেলো এবং কার বিপক্ষে গেলো সেটা ভাবনায় নেয়ার আগে ভাবনায় নিতে হবে তাদের লিখনি গুলোর সত্যাসত্যতা সম্পর্কে ব্যাপকভাবে পরখ করে দেখা।
আর সেটা ই হচ্ছে সত্যিকারের সাংবাদিকতা এবং যে কোনো বিষয়ের ওপর লেখকের কৃতিত্ব। ওই Mirsarai News Desk নামক পেজ এ যারা এডমিন হিসেবে কাজ করে বা যে সবার শীর্ষ সে এবং তারা কে কোন্ পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব রত: সেটা জানা থাকলে ও যেহেতু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে একটা পেজ (Mirsarai Need Desk) করে তাতে লেখালেখি করে আসছে সেহেতু সাংবাদিকের মতো-ই বলা চলে।
সুতরাং, অতীত লিখনির জন্য কারো কাছে মাথা নতো করে, দুঃখ প্রকাশ করে এবং ক্ষমা চেয়ে সাংবাদিকতা পেশার ওপর কুঠারাঘাত করা কোনো ক্রমেই সমীচীন নয় বলে মনে করি! অনুরোধ করে বলবো, প্লিজ কারো কাছে কোনো কিছুর বিনিময়ে মাথা নত করে বা ভীত হয়ে দুঃখ প্রকাশ সহ অনুরূপ কিছু করে সাংবাদিকতা পেশার ওপর কুঠারাঘাত করবে না। এবং যে কোনো বিষয়ের ওপর লেখকের ব্যাক্তি স্বাধীনতার ওপর আঘাত হানতে যাবে না।
মনে পড়ে এখনো- আমি বিগত আওয়ামী জামানায় পত্রিকায় নিউজ করেছি বলে আমার ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করলে ও থামিয়ে রাখতে পারেনি। নিউজ করার কারনে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে নিয়ে যেতে চাইলে ও একমাত্র আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখেন। নিউজ করার অপরাধে এক ট্রাফিক সার্জেন্ট সন্ত্রাসী বেষ্টিত হয়ে আমাকে তুলে নিয়ে ভুল নিউজ করেছি বলে স্বাক্ষর নিতে চাইলে ও পারেনি তা করাতে। আরো অনেক কিছু আমার সাংবাদিকতা জীবনের পেশাগত কাজে রয়েছে। যাহা আজো স্মৃতিতে জ্বল জ্বল করছে। বিন্দু মাত্র ও মিথ্যে নেই তাতে। তার প্রমাণ স্বরূপ সাথী ভাই হিসেবে দুই/একজন সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ও ছিলো। আর তারাই ঘটনার স্বাক্ষী। আর টাকা রোজগারের বিষয়ে অবৈধ পথ পরিহার করে চলে এসে এই পর্যন্ত রয়েছি খুব বেশি অভাবগ্রস্ততার মধ্যে। তাতে কি হয়েছে? আল্লাহ যে একজন আছে সহায় হিসেবে তা মনে প্রাণে বিশ্বাস রেখে চলছি সেই অন্তর নিয়ে।আগামী জীবন ও সেই রকম ভাবে কাটিয়ে দেয়ার আশাবাদী। নয় তো আমার মতো একজন সাংবাদিক খুব বেশি অভাবগ্রস্ত যে, সেই কথা ভাবতেই অভাব লাগার কথা। এবং তা হাস্যকর ব্যাপার ও বটে।
সুতরাং, সব কিছুর উর্ধ্বে থেকে লিখনি চালিয়ে যেতে হবে যে সেই মানসিকতা আমি যেমন অন্তরে লালন করে চলেছি অনুরূপ ভাবে অন্যকে ও সেই একই পরামর্শের আওতায় থাকার আশা করি। কারো কাছে এবং কোনো শক্তির কাছে মাথা নতো করে সাংবাদিকতা পেশাকে ছোটো করা কারো জন্য সমীচীন হবে না বলে ও মনে করি। তবে, সত্যতা সাপেক্ষ লিখনি যেনো অটুট থাকে প্লিজ।
# লেখক : সাংবাদিক, নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘দৈনিক ‘দিনকাল’ মীরসরাই, বিশেষ প্রতিনিধি: দৈনিক আমাদের জন্মভূমি’ চট্টগ্রাম, জেলা প্রতিনিধি: জিবিসি টিভি চ্যানেল চট্টগ্রাম।
আপনার মতামত লিখুন :