[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

মীরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের বাধার মুখে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর’র উপস্থিতির পথসভা করতে ও হিমসীম খেতে হয় বিএনপি’কে


sohel প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২১, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ন /
মীরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের বাধার মুখে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর’র উপস্থিতির পথসভা করতে ও হিমসীম খেতে হয় বিএনপি’কে

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে আওয়ামী লীগের বাধার মুখে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর’র উপস্থিতির পথসভা করতে ও হিমসীম খেতে হয় বিএনপি’কে! আওয়ামী লীগের বাধার কথা মনে আছে কি ইত্তেকার নেতা-কর্মীদের?
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর বিএনপি’র এক দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী রোডমার্চের পথে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই সদরে একটি পথসভা করার পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক দলের নেতা কর্মীরা প্রস্ততি ও প্রায় সম্পন্ন করার পথে ছিলো। কিন্তু, তৎসময়কার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা সভা করার ওপর বাধানিষেধ আরোপিত করার চেষ্টা চালায়।
তবে, তৎসময়কার নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এবং এখনকার নুরুল আমিন এমপি’র দৃঢ় রাজনৈতিক বুদ্ধিচেতা মনোভাবীয় কর্মতৎপরতায় সভায় বাধা প্রদান চেষ্টার বিরুদ্ধে দলের সাধারণ নেতা কর্মীরা ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। শেষোতক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহদাকারে সভার জন্য তৈরী করা মঞ্চ পরিহার করে একটা মিনি ট্রাকের ওপর যেনতেন আকারে সভার কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
উক্ত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন বিএনপি’র তৎকালীন মহাসচিব এবং এখনকার দেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অথচ, ওই দিন বিকালে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ও সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন (বর্তমানে মৃত) ও বিনা ভোটে এমপি বানানো তার পুত্র মাহবুবুর রহমান রুহেল এর উপস্থিতিতে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে লাখো টাকার ব্যয়বহুল রঙঢঙের সমাবেশ করে বারইয়ারহাট পৌরসভাস্থ বিশ্বরোডের কোলঘেঁষা তিন রাস্তার মোড়ে। আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি সহ চোখ ধাঁধানো সমাবেশ করলে ও দেশের বৃহত্তম: রাজনৈতিক দল বিএনপি’কে পথসভা করতে পর্যন্ত বাধ্য প্রদান করে। এ ছাড়া ওই দলের মহাসচিব যিনি মন্ত্রী থেকে ও উপরে গন্য থাকার কথা সেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে একটা ভালো মঞ্চে দাড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করতে দিতে ও বাধা প্রদান করার মাধ্যমে হীনমন্যতার পরিচয় দিয়েছিলো আওয়ামী লীগ।
অথচ, সেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ দেশের সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থান করা পদ রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসার সূযোগ পেয়েছেন।
বলাবাহুল্য যে, সেই দুঃসময়কার কথাগুলো এখনকার ক্ষমতার মোহে অন্ধ মীরসরাই বিএনপি’র নেতা কর্মীদের মনে আছে কি? এমন প্রশ্ন দলের সুবিধা বঞ্চিত হাজারো তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মী সহ দল পাগল সাধারণ মানুষের।

Bangla Photocard Generatorv3.7

2

2