

মোঃ মামুন সরদার স্টাফ রিপোর্টার
৫ নং আনন্দ ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ নাজিমুদ্দিন উপস্থিত থেকে কার্যক্রম স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপির আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প”এর আওতায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এর অংশ হিসেবে ৫ নং তালন্দ ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় এবং ইউনিয়ন পরিষদের এই জনসচেতনা মূলক কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন স্থানে স্ট্যান্ডি ও ব্যানার স্থাপন করে সাধারণ মানুষকে গ্রাম আদালতের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। গ্রাম আদালতের ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা ফৌজদার জন্য ১০ টাকা প্রদান করে মামলার আবেদন করা যায়। প্রচার সামগ্রীতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান কোন কারনে অনুপস্থিত থাকলে ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো সদস্য গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এটি গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী নির্ধারিত। পিছিয়ে পড়ার জনগোষ্ঠীর ক্ষুদ্রানী গোষ্ঠী এবং গ্রামের দরিদ্র নারীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গ্রাম আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ দ্রুত, সহজ ও ব্যয়সাশ্রয়ী উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এতে সাধারণ মানুষের বিচারপ্রাপ্তি সহজতর হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ আশা করছে, এই সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতে এর ব্যবহার আরও বাড়বে।
আপনার মতামত লিখুন :