[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

রৌমারীতে ভারতীয় গরুর নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন


sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ৩০, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ন /
রৌমারীতে ভারতীয় গরুর নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের হাতাহাতি ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

নিজস্ব সংবাদদাতা
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর জব্দ করা ১০টি ভারতীয় গরুর প্রকাশ্য নিলামকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে রৌমারী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় কাস্টমস কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে বিজিবির জব্দ করা ১০টি ভারতীয় গরুর উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করা হয়। নিলামে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিলাম শুরুর আগে গরুগুলো কেনা ও সম্ভাব্য লাভের অংশীদারিত্ব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় জামায়াতপন্থীরা সম্ভাব্য লাভের ৫০ শতাংশ দাবি করেন। অপরদিকে বিএনপিপন্থীরা ৩০ শতাংশ দিতে সম্মত হওয়ার কথা জানান। লাভের অংশ বণ্টন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে জামায়াতের একহন কর্মী তার মোবাইলৈ ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করতে গেলে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে ধাক্কাধাক্কি এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাময়িকভাবে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে উপজেলা পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতারা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষ থেমে গেলে পুনরায় উন্মুক্ত নিলাম শুরু হয়। এতে যুবদলের কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা ইসরাফিল সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা দর হাঁকিয়ে ১০টি গরু কিনে নেন।

ঘটনার বিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হায়দার আলী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গরুর নিলাম নিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের কিছু লোক সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিল। আমরা এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে দুই দলের নেতারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রনজু বলেন, “গরুর নিলামকে কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না। যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী ছিলেন। বিএনপি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলাকে সমর্থন করে না। জামায়াতের উপজেলা আমির আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমরা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছি।”

রৌমারী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) কাওছার আলী বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকায় বড় ধরনের কোনো সংঘর্ষে পরিস্থিতি গড়ায়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।”

Bangla Photocard Generatorv3.7