

এম,এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রথম ইউনিয়ন ও ১ নং করেরহাট ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের অধিবাসী, রাজনৈতিক প্রবীণ ব্যাক্তিত্ব, এলাকার দুঃখ-দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে নিবেদিত এক মানব হৈতেষী, বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ ব্যাক্তি, সাবেক ইউপি সদস্য, ১ করেরহাট ইউনিয়ন বিএনপি’র সফল সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন সিরাজ, প্রকাশ সিরাজ মেম্বার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনামলে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মাঠে থাকা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা- চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’র আদর্শ বাহী রাজনৈতিক সংগঠন বিএনপি’র সাচ্চা সৈনিক বেলায়েত হোসেন সিরাজ মেম্বার অতীত দুঃসময়ে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে যে ভাবে ছিলেন ঠিক সে ভাবে এখনো আছেন এবং আমৃত্যু থাকার ও স্বচ্ছ মনোবাসনা ব্যাক্ত করছেন।
সূত্র মতে, অতীত আওয়ামী দুঃশাসনামলে যখন এখনকার দলের পদ-পদবী আঁকড়ে ধরে রাখা অনেক নেতা নামধারী ব্যাক্তিরা বিএনপি’র রাজনীতি এবং দলের দুঃখ দুর্দশাগ্রস্ত সাধারণ নেতা কর্মীদের কথা ভুলে গিয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ার নামে শহর সহ বিভিন্ন স্থানে গিয়ে আরাম আয়েসে দিন রজনী পার করেছেন তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলে ও এলাকায় থেকে দলের সাধারণ নেতা কর্মীদের বিপদাপদে যোগাযোগ রেখে যথাসম্ভব সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত রেখেছিলেন উক্ত বিএনপি’র প্রবীণ নেতা বেলায়েত হোসেন সিরাজ মেম্বার।
দলীয় সহ সামাজিক বিভিন্ন কর্মের মাধ্যমে তিনি দলীয় নেতা কর্মী সহ সাধারণ মানুষের কাছে অধিক পরিচিতি অর্জন সহ পরম আস্থাভাজন ব্যাক্তিতে পরিনত হয়েছিলেন তিনি। এমনকি বর্তমান দলীয় এমপি নুরুল আমিন এর সাথে ও রয়েছে তার ভালো একটা সম্পর্ক। নুরুল আমিন এমপি ও তাকে অন্যান্য আরো যে ক’জন তার আস্থাভাজন নেতা রয়েছেন তাদের মধ্যে তিনি ও একজন হিসেবে নুরুল আমিন এমপি’র সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রাম সহ ব্যাক্তিগত সম্পর্ক উজ্জ্বলতায় প্রমাণ বহন করে।
শুধু তাই নয়, অতীত আওয়ামী দুঃশাসনামলে যখন অন্যান্য নেতা নামধারীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনের নামে আরাম আয়েসী জীবন যাপনে শহর কেন্দ্রীক হয়ে থেকেছিলেন তখন তিনি প্রকাশ্যে এলাকায় থেকে রাজনৈতিক কর্ম পরিচালনা করার কারণে প্রায় সব উপজেলা ও জেলা বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতাদের মুখে মুখে ছিলো তার নাম। যাহা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। বিগত আওয়ামী দুঃশাসনামলে যেখানে বিএনপি’র রাজনীতি করা এক ধরনের জীবনের ঝুঁকি সম্বৃদ্ধ দুরহ ব্যাপার ছিলো তখন তিনি তার ইউনিয়ন (১নং করেরহাট) এর সাধারণ সম্পাদক (বিএনপি’র) এর দায়িত্ব পালন করে যাওয়া চাট্টিখানি কথা নয়।
অতীত দুঃশাসন পেরিয়ে দল এখন ক্ষমতায়। ক্ষমতাসীন দলীয় নেতা পরিচয় দিয়ে যখন কতিপয় ব্যাক্তিরা দলীয় পদ-পদবী ভাগিয়ে নেয়ার অসুস্থ্য মানসিকতায় তৎপর তখন ও তিনি রয়েছেন নিরব নিভৃতে। এর বাইরে ক্ষমতাসীন দলীয় নেতা কর্মী হিসেবে অনেককে দেখা যাচ্ছে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মেম্বার হওয়ার দৌড় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকতে।
বেলায়েত হোসেন সিরাজ মেম্বার অতীত সময়ে এলাকার একজন সফল মেম্বার এবং বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এলাকার মানুষ এবং দলীয় নেতা কর্মীদের জন্য যে অনুকরণীয় ভূমিকা রেখেছিলেন তার আলোকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে তার ইউনিয়ন (১নং করেরহাট) এ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার উৎসাহব্যঞ্জক অনুরোধ জানাতে থাকলে তিনি তাতে সায় না দিয়ে পারছেন না।
ফলে, ধরে নেয়া যেতে পারে- তিনি ও অন্য আরো ক’জন এর সাথে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার মনো স্থির করেছেন।
সম্প্রতি উক্ত ১ নং করেরহাট ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেম্বার বেলায়েত হোসেন সিরাজ এর সাথে এই প্রতিবেদক এর দেখা হলে তার কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কথা জানান। এক প্রশ্নের উত্তরে বেলায়েত হোসেন সিরাজ মেম্বার জানান- অতীত আওয়ামী দুঃশাসনামলে দল এবং দলীয় সাধারণ নেতা কর্মীদের জন্য কি এবং কতোটুকু করেছি তা দলীয় নেতা কর্মী ছাড়া ও স্বয়ং দলীয় এমপি নুরুল আমিন বিস্তারিত অবগত আছেন। তিনি বলেন, আমি যদি দলের দুঃসময়ে দলের জন্য এবং দলীয় সাধারণ নেতা কর্মীদের জন্য ভুমিকা পালন করে থাকি তাহলে আমাদের দলের এমপি সাহেব অবশ্যই তা (প্রার্থী মনোনয়ন) বিচার বিবেচনায় রাখবেন।
বেলায়েত হোসেন সিরাজ মেম্বার বলেন, দলের দুঃসময়ে প্রকাশ্যে ছিলাম, এখনো আছি, আগামী আমৃত্যু সময়ে ও থাকবো ইনশাল্লাহ। প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে দৈনিক ‘আমাদের জন্মভূমি’ পত্রিকার পক্ষ থেকে যে কোনো সময় তার মুখোমুখি হয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :