

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি: উত্তর চট্টগ্রামের প্রথম উপজেলা মীরসরাই সহ প্রায় প্রত্যেকটি উপজেলাতেই বিএনপি’র নেতা নামধারীদের কাছে দলের পত্রিকা ও দলীয় সাংবাদিকদের কোনো কদর নেই! কদর রয়েছে দালাল সাংবাদিকদের। আর তাতে করে বিগত আওয়ামী জামানার সাংবাদিক নামধারী দালালরা আগেকার খোলস পাল্টিয়ে বুক ফুলিয়ে চলার সাহস করে নিয়ে বহাল তবিয়তে থেকেই তারা তাদের মিশন সাকসেস করে চলছে।
নামে বেনামে অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ফেইবুকে পেজ খুলে বিএনপি কে বরাবরের মতো ই ঘায়েল করার অপচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে যে তা বিএনপি’র নেতা নামধারী হেডমরা তা কবে বুঝতে পারবে?
বিএনপি’র মিডিয়া সেল সহ দলের আরো ভিন্ন ভিন্ন নাম দিয়ে বিএনপি কে ব্লাক মেইলিং করা হচ্ছে যে তা ও তারা বুঝে নিতে পারে না!
বরাবরের মতো বিএনপি’র ওই সব নেতা নামধারীদের কাছে অতীতে যেমন ছিলো এখনো দালাল সাংবাদিকরা জামাই আদর পেয়ে যাচ্ছে! আর বিএনপি’র পত্রিকা এবং দলীয় সাংবাদিকরা বরাবরের মতো ই উপেক্ষিত!!
সারাদেশে ঠিক ওই একই অবস্থা বিদ্যমান হলে ও প্রাসঙ্গিক ক্রমে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার কথা বলা বাহুল্য।
এখানে বিএনপি’র রাজনীতিত নেতা নামধারী এমন কতোগুলো ব্যাক্তি রয়েছে তারা ওই সব এর আগা মাথা ও কিছু বুঝে না! বুঝে শুধু টাকা কামানোর ধান্দা এবং তা ধামাচাপা দিয়ে অন্যভাবে তাদের নাম-পদবী পত্রিকায় দিয়ে তাদের প্রচার-প্রচারণা বাড়িয়ে কি ভাবে তাদেরকে সবার দৃষ্টিত ভালো রাখা যায় সেই জন্য সাংবাদিক নামধারী ওই সব ব্যাক্তিদেরকে হাতে টাকা দিয়ে এবং পেটপুরে খাইয়ে জামাই আদরে রেখে চলেছে তারা।
খবর নিয়ে দেখলে দেখা যাবে- বিএনপি’র নেতা নামধারী ওই সব ব্যাক্তি বিশেষদের দুই নম্বরী ধান্দাবাজির কারণে দলের সিমাহীন ক্ষতি হচ্ছে।
তবে, আশার কথা হলো- যতোই জামাই আদরে রাখা হোক্ না কেনো একদিন তারাই ওদের কাল হয়ে দাড়াবে।
যেমনটির উদাহরণ- সাপকে যতো-ই দুধ-কলা খাওয়ানো হোক্ না কেনো সময় এবং সুযোগ পেলে অবশ্যই ছোবল মেরে বসবে।
সুতরাং, বর্তমান ক্ষমতার মোহে অন্ধ বিএনপি’র নেতা নামধারী ব্যাক্তিদের জন্য আগামীর সতর্ক সংকেত। না মেনে চললে বিপদ অনিবার্য যে তা অতি সহজেই ধরে নেয়া যেতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :