

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় বিবদমান হলে ও আগে ছিলো ২ টা প্রেসক্লাব। প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকতার সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দালালী, ধান্দাবাজি সহ বিবিধ: কর্মের মাধ্যমে যে যাহা পারছে তাহা কামাই করে শুন্য থেকে লাখোপতি -কোটিপতি বনে গেছে! আর এখনো রয়েছে সেই দুই প্রেসক্লাব। আর সেই দুই প্রেসক্লাবের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এবং সাংবাদিকতার দোহাই দিয়ে টাকা কামানোর বিষয়ে অতি উৎসাহি হয়ে আরো কিছু দালাল- ধান্দাবাজ এবার ওই দুই প্রেসক্লাব কে পাশ কাটিয়ে আরো একাধিক প্রেসক্লাব করে টাকা কামানোর মেসিন চালু করেছে।
ইতিমধ্যে রিপোর্টার্স ক্লাব, জোরারগঞ্জ প্রেসক্লাব ও বারইয়ারহাট প্রেসক্লাব গঠন করেছে! এর মধ্যে আরো চমকানো রয়েছে সাংবাদিক সংস্থা নামক বিনা পুঁজিতে টাকা কামানোর ধান্দাবাজির ক্লাব!
অতিত সময়ে দেখা গেছে রাজনৈতিক ভাবে হিংসাত্মের বশবর্তী হয়ে বিরোধী মতের কোনো পত্রিকার প্রতিনিধিকে প্রেসক্লাবের সদস্য না বানিয়ে বানানো হয়েছিলো রাজনৈতিক দলের ক্যাডার সহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে!যার বাস্তব প্রমাণ এখনো জ্বল জ্বল করছে বিএনপি’র একমাত্র পত্রিকা দৈনিক ‘দিনকাল’ প্রতিনিধি সাংবাদিক এম, এ কাশেমকে সদস্য হিসেবে ও না রাখার মাধ্যমে।আর এখন গঠিত প্রেসক্লাব গুলোতে ঠাঁই পেয়েছে দোকানের ম্যানেজার, গাড়ি চালক, হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার, হারবাল ঔষধের সেলসম্যান এবং বাসের টিকিট বিক্রেতা সহ অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত দেরকে।
আর মীরসরাইতে এতো গুলো সাংবাদিক ও প্রেসক্লাব নিয়ে বিপাকে পড়তে হতে পারে বিএনপি’র নেতা নামধারীদেরকে।
কারণ, মীরসরাইয়ের যে কোনো খানে ঘটে যাওয়া যে কোনো ঘটনার জন্য তড়িঘড়ি করে ওই সব নেতা নামধারীরা প্রেসক্লাবে গিয়ে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক নামধারী গুটি কতেক ব্যাক্তিদের সামনে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে কখনো কখনো তা হাস্যরসের সৃষ্টি করেছিলো। এ ছাড়া সাংবাদিক সম্মেলনের নামে ও তারা সাংবাদিক নামধারী কয়েকজনকে খুশি করিয়ে পত্রিকায় নিউজ ধরানোর চেষ্টা করে আসছিলো।
কিন্তু, এখন যেহেতু ৪/৫ টা প্রেসক্লাব সহ প্রায় ৬/৭ টা সাংবাদিক সংগঠন ও অফিস করা হয়েছে সেহেতু বিএনপি’র ওই সব নেতা নামধারীরা এখন কোন্ প্রেসক্লাব বা কয়টা প্রেসক্লাবে যাবেন?
আপনার মতামত লিখুন :