অপরাহ্ণ ০৩:৫৭
শনিবার
৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মীরসরাইতে সাংবাদিক নামধারী ২ চাঁদাবাজ পিটুনির শিকার ও একজন জেল হাজতে যাওয়ার পর কিছু টা কমেছে অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য


sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন /
চট্টগ্রামের মীরসরাইতে  সাংবাদিক নামধারী ২ চাঁদাবাজ পিটুনির শিকার ও একজন জেল হাজতে যাওয়ার পর কিছু টা কমেছে অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য

নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে সাংবাদিক নামধারীদের অপতৎপরতায় পেশাধারী সাংবাদিকরা কোণঠাসা, সাধারণ মানুষ যখন অতিষ্ঠ তখন সাংবাদিক নামধারী ২ চাঁদাবাজ পিটুনির শিকার ও একজন জেল হাজতে যাওয়ার পর কিছু টা কমেছে অপ সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য।
সূত্র মতে, বিগত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সাংবাদিকতার নামে কিছু চাঁদাবাজ, ধান্দাবাজ-কুলাঙার ব্যাক্তি বের হয়ে বেপরোয়া ভাবে চালিয়ে যাচ্ছিলো হীনকর্ম! আর বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কিছু বদমাইশ বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে যাহা করে ফেলেছে তাহা অতীত সময়ের মীরসরাইয়ের সাংবাদিকতা পেশার রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে।
অথচ, বিএনপি’র সাংবাদিক বলতে বিগত ১৭ বছরে ও কাউকে দেখা যায়নি মীরসরাইয়ের সাংবাদিকতা পেশায়। তাদের বেপরোয়া তৎপরতার দৌরাত্ম্যে পুরো সাংবাদিকতার পেশাকে করে ফেলেছিলো প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের বিরুদ্ধে তৎপর থাকলে ও কিছু-ই করা যায়নি কেবলমাত্র বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি’র নেতা নামধারী দু’নম্বরী গুটি কয়েক ব্যাক্তি বিশেষ এর শেল্টারের কারণে!
কথায় বলে, আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর এবং আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। এমন সত্য কথাটি দেখায আশায় ছিলাম। অবশেষে আল্লাহ তা দেখিয়ে ও দিলেন।
ইতিমধ্যে মাই টিভি চ্যানেল এর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে লাখ লাখ টাকা অবৈধ পথে ইনকাম করা ব্যাক্তি জাহাঙ্গীর আলমকে মিঠাছড়া বাজারে জনতা আটক করে হেনস্থা করেছে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার সময়। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য প্রতারণা মূলক কর্মের অভিযোগ সহ ব্যাপক হারে চাঁদাবাজির ও। সে কখনো সাংবাদিক, কখনো এনজিও কর্মকর্তা, কখনো আইনজীবীর সহকারী আবার ক্ষমতাসীন দল বিএনপি’র নেতাদের আস্থাভাজন হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে চলতো।
অন্যদিকে ৫ আগষ্টের আগে জুতার দোকানে চাকুরী করা এন আলম রাসেল নামিয় ব্যাক্তি নিজেকে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি’র একটা কিছুর ভাব দেখিয়ে চলতো ৫ আগষ্টের পর থেকে। তা ছাড়া সে বর্তমানে দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো অবাধে বের করা বিভিন্ন নামে বে নামের দৈনিক পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলোর সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব রত:দের সাথে যোগাযোগ করতো সাংবাদিকতা পেশার একটা আইডি কার্ড এর জন্য কিন্তু তার সেই অভিজ্ঞতা না থাকায় যোগাযোগ করে ও আশানুরূপ সাড়া পায়নি। অত:পর ঢাকা গিয়ে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ নামে বস্তাপচা একটা পত্রিকা কর্তপক্ষকে টাকা দিয়ে একটা আইডি কার্ড বানিয়ে নিয়ে এলাকায় এসে তা গলায় ঝুলিয়ে সাংবাদিকতার নামে শুরু করে অপ সাংবাদিকতা। বিএনপি’র সাইনবোর্ড ব্যবহার করে সর্বোত্র প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি সহ বিভিন্ন অবৈধ ও অনৈতিক কর্ম সাধনের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার মালিক বনে আঙুল পুলে কলাগাছ বনে যাওয়ার সামিল হয়েছে। তদন্ত করে দেখলে সে সহ তির সাথে থাকা অন্যান্যরা সহ আরো কিছু সাংবাদিক নামধারীরা থলের বিড়াল বের হয়ে আসার মাধ্যমে আগেকার গরীবি হাল এবং বর্তমান রাজকীয় ভাবে চলির অবস্থা ফুটে উঠে আসবে।
গত কয়েক দিন একটি বাড়িতে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকতার ট্যাগ লাগিয়ে ধর্নাঢ্য এক ব্যক্তিকে জায়গা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দিতে পত্রিকায় নিউজ করে দিবে বলে মোটা অঙ্কের টাকা পকেটে ভরতে গিয়ে এলাকার মানুষের হাতে গণপিটুনির শিকার হয় সে। সাংবাদিক পরিচয় দানকারী ওই এন আলম রাসেল সময় সময় একাধিক নাম ব্যবহার করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে যাচ্ছে।
অপরদিকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের প্রচার সম্পাদক এর দায়িত্বে থাকা কামরুল ইসলাম নামিয় ব্যাক্তি বর্তমানে পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের নিরীখে যেনতেন আকারে আওয়ামী পক্ষিয় মোহনা টিভি চ্যানেল ও দৈনিক অর্থনীতি পত্রিকার মীরসরাই প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছিলো নানাবিধ: অপকর্ম। সে গাছ, মাটি এবং বালু বোঝাই সহ বিভিন্ন গাড়ি থেকে চাঁদার ভাগ বসায়। প্রতিবাদ করতে গেলে সে বিভিন্ন ভাবে প্রতিবাদ কারীদের হয়রানি করে আসছিলো। ইতিমধ্যে করেরহাট বাজার এলাকায় সে তির ভাই সহ আরো কয়েকজনকে নিয়ে প্রতিবাদ কারীদের মধ্যে একজন যুবদল নেতা আব্বাস উদ্দিন এর ওপর হামলা চালিয়ে তির নাক ফাটিয়ে দেয়। ঘটনা পাশ কাটানোর জন্য উক্ত কামরুল ইসলাম স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কয়েক জন নেতাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। অপরদিকে হামলায় আহত(নাক ফাটা) যুবদল নেতার পক্ষে তার স্ত্রী বাদী হয়ে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলার আসামি কামরুল ইসলাম সাংবাদিকতার প্রভাব বিস্তার করে জামিন নিতে গেলে আদালত সন্ত্রাসী হামলার সত্যতা সাপেক্ষ তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
মীরসরাইতে বর্তমানে শুধু জাহাঙ্গীর আলম, এন আলম রাসেল এবং কামরুল ইসলাম- ই নয় সেই রকম আরো অনেক রয়েছে। খবর নিয়ে দেখলে তাদের অবৈধ ও অনৈতিক অনেক কর্মের কথা বেরিয়ে আসবে বলে একাধিক মাধ্যম থেকে জানা গেছে।

2

2