অপরাহ্ণ ০৯:৪৩
শুক্রবার
৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমের মর্যদা মহামানবের প্রেমের মর্যাদার মতো কি।


sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ন /
প্রেমের মর্যদা  মহামানবের  প্রেমের মর্যাদার মতো কি।

এনামুল কবীর এনাম বদলগাছী, নওগাঁ।
আমরা সাধারণত একে অপরের সঙ্গে প্রেম করি,পিতা মাতা ভাই বোন,বুন্ধ বান্ধব, ছাত্র/ ছাত্রী শিক্ষক, স্বামী/ স্ত্রী , ছেলে/ মেয়ের প্রতি যে প্রেম সৃষ্টি করি তাহা অতুলনীয় অপরিসীম আবেগময় অনুরাগের প্রতিয়মান।কারন একই রক্তের মিলন হতে গভীর হৃদয়ের প্রেমের আবির্ভাব সৃষ্টি।
আল্লাহ ও তার রাসুলের মধ্যে যে প্রাপ্ত শান্তির প্রেম ছিল, সেই প্রেমের ক্যাণু আঙ্গুলের মাথা ঐ পরিমান প্রেমের যদি এতো গভীর পরিকল্পনা হৃদয় বিদারক ভীত স্হাপন হয় বা করতে পারেন সামান্য জীবনের দুনিয়ায়।

কিন্তু সামান্য জীবন ও ভবের দুনিয়ায় কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আচরণে পালন করি সেই মহান সৃষ্টি রহমত আমাদের প্রিয় রাসুল কে।যাকে সৃষ্টি না করলে পৃথিবীতে আমাদের আগমনের কোন সুএপাত হতো না।সামন্য মায়ায় আমরা আপনজনদের জন্য পাগলের মতো বিলিন করি অর্থ সম্পদ। আমরা কি জানি সেই প্রেমের সিমারেখা কত দুরে,বা কতই নিরবতার গভীরে।আমরা তার প্রমান দিতে পারিনা,
কারন প্রেম শব্দের শাব্দিক অর্থ হয়তোবা অনুভব করি না।দাঁড়িয়ে আযান দেন,দাঁড়িয়ে সালাম দেন,দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করি, বড় সন্মানিত ব্যাক্তিকে দাঁড়িয়ে সন্মান দেন,বসার আসন ছেরে দেন,শিক্ষক ক্লাসে গেলে দাঁড়িয়ে সন্মান দেন, অথচ তারা আপনার আমার জন্য অনাহারে থেকে ভবিষ্যতের চিন্তা করে নাই। কারন প্রেমের সীমারেখা নির্দিষ্ট নির্নয় করতে সক্ষম নয়।চিন্তা বিবেকের দায়িত্ব
সেই প্রেমের প্রমান করেছেন হযরত ওয়াইসকুরুনী।যাকে না দেখে দন্ত ভেঙেছিল আপনি কি তার সেই প্রেমের সীমারেখা র্নিনয় করার ক্ষমতা আকিদা হৃদয়ে স্হাপন করতে পেরেছেন।দয়ার নবী আসবে জেনে সারাটি রাত হযরত আবু বক্কর সিদ্দিক দরজায় দাড়িয়েছিল ওয়াজে শুনেছি ঐটি কোন প্রেম,জিব্রাইল ডাকে বারে বার খোলে দাও আসমানের দুয়ার, এসেছেন নবীদের সরদার করিতে মাওলার ও দিদার।আল্লাহ দাড়িয়ে সন্মান করেছে আলেমদের মুখে কোরআন হাদিসের বয়ান।সুরা আহযাবের ৫৬ নম্বর আয়াত টি পরি অনুভব করি।

যে নবী আরশে আজিমে মাওলার দিদার করার সুযোগ পান,আদম আঃ তার নামে দোয়া করে সাড়ে তিন শত বছর পরে ক্ষোমা পেয়ে থাকেন,
যে মানব পৃথিবীর কোন আরাম আয়েশ সহ পেট ভরে খানা খাবারের স্বাদ গ্রহন করেননি। অথচ তিনি পৃথিবীর সকল দুঃখ কষ্ট বেদনা লাঞ্চনা ছিরা জামা কাপড় পড়ে উম্মতের প্রেমের জন্য হৃদয়ে স্বাধন করেন, একমাত্র কেবল মাএ তার উম্মতের সুখ ও শান্তির নিঃশ্বাস প্রশ্বাস্যের জন্য ।
আজকে সেই নবীর উম্মত সেজে বড় বড় আলেম,মোহাদ্দেস, মোফাচ্ছের, বড় নেতা,বড় লেখক /দার্শনিক, হয়ে ঐ গভীর হৃদয় থেকে প্রেম করি না তার সনে । যার আগমনে রাএী, দিন,চন্দ্র, সূর্য, বোনের পশু, পাখি,আনন্দীত ছিল। আপনি কেন আনন্দিত অনুভব করতে পারেননা।
বুক ভরা কষ্ট বেদনা ধারন করে নিজের জন্মদাতা সন্তানের জন্য যদি আনন্দীত হতে পারেন সামান্য জীবনে। কিন্ত যারা তার প্রেমে পড়ে গুন, গান,জিকির আজগার,মিলাদ মাহফিল করেন প্রেমের সীমারেখা নির্দিষ্ট পথে প্রচেষ্টা করেন তাদের কে বলি বিদাতি ।

আপনি কি ওয়াজকরুনির মতো প্রেম বিশ্বাসী। যে মহা মানবের প্রেমে সে নিজেকে বিষর্জন করে নিজের অঙ্গ নষ্ট করেছে ।আপনি বিদাতি বিদাতি বলেন নিজের আত্মাকে কষ্ট বেদনা লাঞ্চনা, মানবতার,কল্যাণে প্রেমের অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত । মনে রাখবেন আজ থেকে বহু বছর আগে এই দুনিয়ার বুকে ইসলাম নাম ছিল না কোথাও কোন মানুষের মুখে, এনেছিলে তুমি হে সাধক রব্বানী।আপনি ঐ সাধনে মুসলিম পরিবারের কাছে ইসলামের দাওয়াত দেন,আপনার আমার নবী অমুসলিমদের দাঁড়ে দাঁড়ে দাওয়াত করেছেন। কিন্ত আপনি যে পোশাক, ভাব,গাম্ভীর্যে আলিসান খাবার খেয়ে ইসলাম নবীর সঙ্গী হতে চাচ্ছেন, ঐ ইসলাম সহজে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।এই দুনিয়ার বুকে ছিল না আযান ধ্বনি, মন্দিরে বাজিত শুধু ঘন্টা, এনেছিলে তুমি হে সাধক রব্বানী।
ভারত সহ বাংলার জমিনে যখন ছিল না আযান ধ্বনি, আল্লাহর অলি নাসির উদ্দীন সিপাহসালা দিয়েছেন প্রকাশ্যে আযান।তারা ঐ নবীর গভীর হৃদয় প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে মহান রবের সান্নিধ্য লাভ করেন, বলে আযান দিতে সাহস পেয়েছেন দুনিয়ার সামান্য ভালোবাসায়।
বাংলার জমিনে আল্লাহর অলিদের অনেক অনেক কেরামতি রয়েছে, কেউ মাছের পিঠে, কেউ বাঘের পিঠে,কেউ বা কুমিরের পিঠে,বিবেকের কাছে জিজ্ঞেস করি আমরা অনেক বড় বড় আলেম মোফাচ্ছের,মোহাদ্দেস, ঐ অলৌকিক শক্তি সহায়তার সান্নিধ্যে যেতে পারিনি।
কারন হয়তো বা আমারা ঐ প্রেমের সন্ধ্যান করি না।হযরত ইউছুফ আঃ এর ঘটনা সবার জানা।
জানারগেছে ১৯৬৫ সালে ভারতের জমিন থেকে হযরত হোসাইন কালিমি রঃ বাংলার জমিনে ইসলাম প্রচারের জন্য এসে সৈয়দ পুরে, নন্দীগ্রামে,মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করে শিক্ষার আলো জেলেছে, বদলগাছী উপজেলার পাহাড় পুর নয়ন শহর ধর্মপুর আলিম মাদ্রাসা করেন,মসজিদ,ঈদগাহ,করেন,নুনুুজ কালিমিয়া দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়,নুনুজ কালিমিয়া আলিম মাদ্রাসা, সৈয়দ হুসাইন কালিমির পরবর্তীসময়ে সৈয়দ আসরার আহম্মেদ কালিমি ঐ প্রতিষ্ঠান গুলো প্রতিষ্ঠিত করেন।আল্লাহর অলি হিসাবে তার ত্যাগ এতেই প্রতিয়মান।তাদের লক্ষ্য ছিল প্রেমের গভীরতা নির্নয় করার।কিন্তু আজ ঐ প্রতিষ্ঠান গুলোতে নিয়োগ বানিজ্য, অনিয়ম করছেন কে যারা ঐ প্রেম খোঁজার চেষ্টা বা প্রত্যাশা করে নাই।এজীবন করিব গঠন মরনে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভবন, মানুষ হইয়া মানুষের করিলাম কি, মরার পরেই কারো পৃথিবী কাঁদে, আবার কেউ হাঁসে।ঈদে মিলাদুননবী আনন্দ ময় দিন,কারন যে মানবের আগমনে দিন,রাত,চন্দ্র, সূর্য, আকাশ বাতাস, পশু পাখি আনন্দের জিকিরে মশগুল ছিল। আমরা মানুষ দাঁড়িয়ে সন্মান করি , দাড়িয়ে সালাম দিয়ে থাকি,দাড়িয়ে নামাজ পড়ি,শিক্ষককে দাড়িয়ে সালাম করি,কিন্তু যার আগমন না হলে পৃথিবীতে কিছুই আগমন হতো না। সামান্য জীবনের ঐ মহা মানবের প্রেমের সন্ধ্যানের চেষ্টা করি না।
শুধু বিদাত বলেন কথা বলি,রাসুল ভালো খাবার ভালো পোশাক, ভালো আরাম আয়েশ করেনি।এখন আপনি আমি কি করছি বিদাতের কাজের বাহিরে খোকনই না।পাঠ করি কেতাব অন্য কে উপদেশ করি নিজেই থাকি ভুলে, নিজের সন্তানের জন্মদিন উপলক্ষে আনন্দ উপভোগ করি কোন বিবেকে।

2

2