

রাজশাহী প্রতিনিধি
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চন্দ্রিমা থানায় করা একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৬৮৩) নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে একপাক্ষিক ও মানহানিকর দাবি করেছেন জিডিতে উল্লেখিত বিবাদীদের একজন মোঃ সরফরাজ আলী। তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদ প্রকাশের আগে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ বা বক্তব্য নেওয়া হয়নি। ভুল বোঝাবুঝির অবসান এবং পাঠকদের সামনে ঘটনার অপর দিক তুলে ধরতেই তিনি লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন।
সরফরাজ আলীর দাবি, গত ৪ জুন মোঃ বাবলু ও মোঃ মুস্তাক তাদের পৈতৃক ভিটায় এসে দোকান নির্মাণের ঘোষণা দেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরা আগে আইনানুগভাবে জমির সীমানা ও অংশ নির্ধারণের আহ্বান জানান। পরদিন বেসরকারি আমিন দিয়ে জমি পরিমাপের সময় সরকারি নকশার বাইরে একটি হাতের তৈরি ম্যাপ ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বাবলু ও মুস্তাকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও তার বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওই ঘটনার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে চন্দ্রিমা থানায় জিডি নং-২০৯ এবং পরে তাদের চাচা মোঃ মোহাম্মদ আলী নিজের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি নং-২১০ দায়ের করেন। তার দাবি, দুটি জিডিই বর্তমানে তদন্তাধীন এবং বিচারাধীন রয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে সরফরাজ আলী বলেন, তিনি পেশায় একজন কর আইনজীবী ও ভ্যাট পরামর্শক এবং পেশাগত কারণে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ফলে তার বিরুদ্ধে রাস্তাঘাটে হেনস্তা বা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার ৮০ বছর বয়সী মা মোছাঃ নাজমা খাতুন, বড় ভাই মোঃ মুন্না, যিনি প্রায় ৩০ বছর ধরে রাজশাহী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, ছোট বোন রাশিদা বেগম, যিনি প্রবাসীর স্ত্রী ও পৃথক সংসারে বসবাস করেন, এবং পৃথক নিবাসী প্রবীণ চাচা মোঃ মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী মোঃ বাবলু বলেন, চন্দ্রিমা থানায় আমি যে সাধারণ ডায়েরী করেছি, জিডিতে উল্লেখিত বক্তব্যই আমার বক্তব্য। তবে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি করেছেন এবং বিষয়গুলো আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।#
আপনার মতামত লিখুন :