পূর্বাহ্ণ ১২:০৯
বৃহস্পতিবার
৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মীরসরাইতে বিগত ১৭ বছর চেহারা দেখা না যাওয়া ব্যাক্তিরা এখন বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অপকর্ম করে যাচ্ছে!


sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ২২, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ন /
চট্টগ্রামের মীরসরাইতে বিগত ১৭ বছর চেহারা দেখা না যাওয়া ব্যাক্তিরা এখন বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অপকর্ম করে যাচ্ছে!

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : বিগত ১৭ বছর আওয়ামী দুঃশাসনামলে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার কোথাও এই প্রতিবেদক-ই শুধু নয় যাদের চেহারা ও কেউ দেখেনি তারা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন সর্বোত্র বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অবাধে চষে বেড়িয়ে দুই নম্বরী ধান্দাবাজি সহ নানা বিধ: অপকর্ম চালিয়ে দলের দুর্নাম সহ মীরসরাইয়ের অতীত সাংবাদিকতা পেশার বারোটা বাজিয়ে দিয়ে নিজেরা রাতারাতি আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মতো লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছে!
আফসোস লাগে দীর্ঘ ৩৭ বছরের সাংবাদিকতার বয়সে কি করলেন এই প্রতিবেদক?
৩৭ বছর সাংবাদিকতার বয়সে ৩৭ টাকা ও তো কোথাও জমা রাখতে পারেন নি তিনি!
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক এবং অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বিগত ১৭ বছর যেই পত্রিকাটির নাম নেয়া টা ও এক ধরনের জীবনের ঝুঁকি থাকতো এবং যেই পত্রিকাটি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি’র একমাত্র মুখোপত্র হলে ও কিন্তু দল নিবেদিত প্রাণ হাতে গোনা কয়েকজন নেতা জানলে ও কিন্তু ধান্দাবাজির সাথে জড়িত অধিকাংশ নেতারা জানে না যে, তাদের দলের একমাত্র মুখোপত্র/পত্রিকা কোনটি !
আর পত্রিকার জগতে আওয়ামী লীগের চরম আতংক সেই দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকায় নিজস্ব প্রতিনিধি/সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘ একটানা ২৩ বছর দায়িত্ব পালন করে আসলে ও কিন্তু ২৩ বছরে ২৩ টাকার মালিক ও হতে পারলেন না এই প্রতিবেদক! তার চাইতে আরো অধিক/বেশি আফসোস, অতিত জীবনের ঝুঁকি পার করে বর্তমানে সেই পত্রিকা দৈনিক ‘দিনকাল’ এর মালিক দেশের রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। যেই ‘দিনকাল’ পত্রিকাটির মালিক সরাসরি বিএনপি। এবং ওই পত্রিকার সম্পাদক/প্রকাশক স্বয়ং বর্তমানে বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই। যদিও বা রাষ্ট্রিয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজের কাঁধে অর্পিত হওয়ার পর অন্য একজন কে সাময়িক দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে তথাপি তিনি-ই দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পূর্ণ কর্ণধার। আর ওই রকম দেশের সংবাদপত্র জগতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সরকার দলীয় পত্রিকা দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকার একজন সাংবাদিক হওয়ার পরও অতিত আওয়ামী সরকারের পতনের পরের সময়ের কথা বাদ দিলে ও বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর এই পর্যন্ত ৪/৫ মাসে ৪/৫ শতো টাকার মালিক নন্ তিনি!
অবশ্য, তা কারো কাছে বিশ্বাসযোগ্য হওয়াটা বড়ো কথার চাইতে তার কাছে ও তা বিশ্বাসযোগ্য ঠেকছে না!!
শুধুমাত্র দলের সু’নাম, নিজের সাংবাদিকতা পেশার ওপর কালিমা লেপন এবং দলের একমাত্র পত্রিকা দৈনিক ‘দিনকাল’ এর ওপর যেনো দুর্নামের বোঝা না পড়ে সেই চিন্তায় নিজেকে সংযত রেখে এই পর্যন্ত এসে থাকতে পেরেছন বলে তিনি আল্লাহর দরবারে শেষ হীন শোকর আলহামদুলিল্লাহ্ আদায় করছেন।
বলাবাহুল্য, মীরসরাই উপজেলার বর্তমান সাংবাদিক প্রসঙ্গ- যাদেরকে বিগত ১৭ বছর মীরসরাই উপজেলার কোথাও কেউ দেখতে পায়নি তারা এখন বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেতাই করে দলের দুর্নাম রটিয়ে দলের বারোটা বাজাবে তা কি দল নিবেদিত প্রাণ বিএনপি’র কোনো নেতা কর্মী চাইবে বা মেনে ও নিবে ?
সুতরাং, মীরসরাই উপজেলার কোথাও বিএনপি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি সহ যে কোনো অপকর্মের সাথে জড়িত থাকলেই তাদেরকে গণপিটুনি দিয়ে শায়েস্তা করতে হবে বলে দল নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মীরা একমত পোষণ করে বলেছেন- ওই রকম কোনো ব্যক্তি কে দেখা মাত্র- ই শায়েস্তা ব্যাতিরেকে কোনো ছাড় নেই।