[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

চট্টগ্রাম বোর্ডের সকল পরিক্ষা স্থগিত করার পর ও কোন্ যুক্তিতে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায় তারা


sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ১৪, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ন /
চট্টগ্রাম বোর্ডের সকল পরিক্ষা স্থগিত করার পর ও কোন্ যুক্তিতে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায় তারা

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : দেশের মহাগুরত্বপূর্ন বিভাগীয় জেলা চট্টগ্রাম।

বর্তমানে চট্টগ্রাম জুড়ে ভয়াবহ বন্যার কারণে মানুষের যানমাল রক্ষা করা দুরহ হয়ে পড়েছে। এমন সময় তে চলমান পরিক্ষা ও স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এমন সময় দেশের অন্যান্য স্থানের কথা বাদ দিলে ও চট্টগ্রাম জুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন কেনো এবং কিসের জন্য?
বলাবাহুল্য যে, গত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছাত্রদের আন্দোলনের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাকি ছাত্রদের রাজাকারের বাচ্চা বলেছিলেন সেই জন্য- ই শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পতন ঘটানো ত্বরান্বিত হয়েছিলো। অবশ্য, শেখ হাসিনা তা না বলেছিলেন।
আর এক-ই বর্তমান সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন নাকি ছাত্রদেরকে ফার্মের মুরগি হিসেবে আখ্যায়িত করে কিছু বলেছেন! সেই জন্য শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চাঙ্গা করে তার পদত্যাগ দাবি করে শান্ত পরিস্থিতি কছ অশান্ত করে তোলার চেষ্টায় মত্ত রয়েছে। অবশ্য, শিক্ষা মন্ত্রী ও শেখ হাসিনার মতো অনুরূপ না বলে যাচ্ছেন। দেশ ছাড়িয়ে বিদেশীদের কাছে ও সফল শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে এহসানুল হক মিলন এর একটা আলাদা সু’নাম রয়েছে।
প্রশ্ন জাগে এমন সু’নাম ধর্মী এমন একজন মানুষ চলমান শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে করে বিলম্ব সহ খানিকটা ব্যর্থতার পরিচয় দিতে গেলেন কোন্ যুক্তিতে?
তবে, এ ও সত্য যে, বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে। আর সেই জন্য পুরো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে সকল পরিক্ষা ১৬ তারিখ পর স্থগিত ঘোষণা করে প্রয়োজন মাফিক সেই সময়সীমা আরো বাড়িয়ে দেয়ার বিষয় ও সরকারের চিন্তা ভাবনায় রাখা হয়েছে। ফলে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে পরপরিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নামে শান্ত পরিস্থিতি কে অশান্ত করার ও কোনো যুক্তি কতা নেই।
সব কিছুর মুলে আন্দোলনের নামে যে সব শিক্ষার্থীরা রাস্তায় তাদের মুল চালিকাশক্তি কোথায় তা ও ভেবে দেখার দরকার রয়েছে।
অপর দিকে শিক্ষা মন্ত্রীর মাথায় ও রাখার দরকার তিনি অতীত সময়ে যে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তখনকার সরকার আর বর্তমান যে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তা অ-ন-ক অনেক তফাত। তার যে কোনো অহেতুক কর্মকান্ডের মধ্যে বিএনপি’র চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর প্রেস্টিজ ইস্যু রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের যুক্তি সঠিক হলে তা আলোচনার টেবিলে বসে সমাধান করা যেতো। কিন্তু, গত সরকারের সময়ের মতো রাস্তায় এ ভাবে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা কোনো অবস্থাতেই যুক্তিযুক্ত নয় বলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় নের্তৃবৃন্দ সহ সুশীল সমাজ মনে করেন। এর বাইরে শিক্ষা মন্ত্রীর বুদ্ধিচেতা সিদ্ধান্ত ও অপরিহার্য ছিলো বলে ও মনে করেন তারা।
কারণ হিসেবে উল্লেখ করার মতো যে, অতীত সময়ের সরকার এবং বর্তমান সরকারের সময়ের সরকারের মধ্যে যোজন যোজন তফাত রয়েছে। অতীত সরকারের চাইতে বর্তমান সরকার অনেক টা গ্রহণযোগ্য সর্ব মহলের কাছে। কারণ, বর্তমান সরকার দীর্ঘ ১৭ বছরের মধ্যে দেশী-বিদেশী সবার কাছে দেশের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার।
বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে বলা চলে- সবচাইতে জরুরি বিষয় হলো শিক্ষার্থীদের গায়ে যেমন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কোনো ভাবেই হাত তুলতে না পারে। ঠিক তেমনি ভাবে শিক্ষার্থীরা অনুরূপ ভাবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কে তাদের রাষ্ট্রিয় নির্দেশনা মোতাবেক দায়িত্ব পালন করে যেতে সহযোগিতা করে যাওয়া।
সর্বপরি সবার আগে দেশ-বাংলাদেশ যে সে কথা সবাই কে মনে রাখতে হবে।

Bangla Photocard Generatorv3.7