

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : দেশের প্রধান বন্দর নগরী চট্টগ্রামে এবং সৈকত নগরী কক্সবাজারে যার রয়েছে অঢেল সম্পত্তি সেই পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ কে গ্রেপ্তার করার ঘটনা বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’র নের্তৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সবচেয়ে বড়ো সাফল্য বলে মনে করছেন চট্টগ্রামের অধিকাংশ মানুষ। সূত্র মতে, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদকে ইন্টার পোল এর মাধ্যমে দুবাইতে পালিয়ে থাকাবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধের অগ্রবীর সেনানী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক সেনাবাহিনীর প্রধান ও প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের আপামর জনগোষ্ঠীর অবিসংবাদিত নেতা, বিশ্বের অবহেলিত ৭ টি দেশকে নিয়ে গঠিত সার্ক এর স্বপ্নদ্রষ্টা-প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশকে তুলে ধরার এক কিংবদন্তি রাষ্ট্র নায়ক, বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, দেশ-মাটি ও মানুষ এবং গনতন্ত্র রক্ষাকল্পে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ জিয়াউর রহমান এর রেখে যাওয়া সু’যোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নের্তৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের আইন ও বিচার ব্যবস্থার আশাতীত উন্নতি দেখে চলছেন প্রায় সবাই।
অপরাধী যে-ই হোক্ পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই মর্মে তারেক রহমান এর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে একের পর সাফল্য কর্ম দেখে যাচ্ছেন সবাই।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রিয় ব্যবস্থা এবং মানুষের জান-মাল এর ধ্বংস লীলার মাস্টার মাইন্ড খ্যাত পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ কে ইন্টার পোল এর মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর ডুবাই থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নের্তৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের অধীনে নিয়োজিত ইন্টার পোল এ দায়িত্ব রত: পুলিশের চৌকষ বাহিনীর মাধ্যমে!
দেশের মানুষের কতো সম্পদ তচরুপ করা হয়েছে, কতো মা’ এর বুক খালি, কতো স্বামী হারা স্ত্রী আর্তনাদ, কতো বাবা হারা সন্তানদের কান্না আহাজারির মানুষ রুপি দানব ছিলো ওই পুলিশের উর্ধ্বতন সাবেক কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ তা ভাষায় ব্যক্ত করতে পারছেন না কেউ।
কথিত রয়েছে- অঢেল ধন সম্পদের মালিক ওই বেনজির আহমেদ দেশের প্রধান বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এবং সৈকত নগরী কক্সবাজার এর বিভিন্ন জায়গায় নামে বেনামে অনেক জায়গা জমির মালিক। ব্যাপক তথ্যানুসন্ধান চালালে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে তার ওই সব কিছুর খোঁজ পাওয়া যাবে বলে মনে করেন চট্টগ্রামের অনেক মানুষ।
ভুক্তভোগী মানুষজন মনে করেন, শুধু তাকে গ্রেপ্তার করলে হবে না। তির সাথে থেকে যারা ওই সব অপকর্ম চালিয়ে দেশের এবং মানুষের জান ও মালের ক্ষতি করেছে তাদেরকে ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
যাতে অন্তত: জীবন হারানোদের পরিবারবর্গ গুলো কিছু টা হলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে পারেন।
আপনার মতামত লিখুন :