[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

নারীদের অপমানই–তৃণমূলের পতন- তাই বদলা নিতেই হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন।


sohel প্রকাশের সময় : মে ৮, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ন /
নারীদের অপমানই–তৃণমূলের পতন- তাই বদলা নিতেই হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন।

মোঃ আব্দুস সালাম ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:৭ ই মে বৃহস্পতিবার, নারীদের অপমান ক্ষমা করল না জনগণ, তাই বিদায় নিতে হলো তৃণমূলকে, আর মাঝে একটা দিন বাকী, তারপর এই মন্ত্রীসভা গঠন।

যখন সারা বাংলায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সকল কর্মীদের কোনরকম নির্দেশ দেন কোনরকম সংঘর্ষ না করতে জুলুম না করতে। এবং প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে, কোনরকম বিজয় মিছিল না করতে। জোর করে কোন দখল না করতে। ঠিক সেই মুহূর্তেই ফুটে উঠলো অন্য চিত্র,

যেই মুহূর্তেই সারা বাংলায় জয় শ্রী রামের জয়ধ্বনি, কর্মীরা উচ্ছ্বাসিত, গেরুয়া আবীরে ভরে গিয়েছে এলাকায় এলাকায়।

অন্যদিকে বাংলার পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে, আরো একটি চিত্র ফুটে উঠল, যুবরাজ অভিষেক ব্যানার্জির বাড়ি ঘেরাও দখল, এখানে সাধারণ মানুষ পৌঁছাতে পারেনি, সেই জায়গায় সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, যুবরাজের বাড়িতে ফুটে উঠল পদ্মফুল। কিন্তু তবুও তৃণমূল হার স্বীকার করতে রাজি নয়, এখনো বলে চলেছে আমরা হেরেছি নাকি? আমরা কোন কিছু ছাড়বো না। কিন্তু পরিবর্তন যে হয়ে গেছে সেটা সাধারণ মানুষ বুঝেছে। সারা বাংলায় শুধু পদ্মফুল। গেরুয়া পতাকা।

কিন্তু পরিবর্তনে, বদলা নিতেই চলে গেল একটি তরতাজা প্রাণ, ফেরা হলো না চন্দ্রশেখরের, রেখে গেলেন তার স্ত্রী ও বাচ্চাকে। বন্দুকের গুলিতে হাজরা করে দিল তরতাজা একটি প্রাণ। যিনি শুভেন্দু অধিকারীর পিএ হিসাবে সুনামের সাথে কাজ করতেন, তবে অনেকের মতামতের মধ্য দিয়ে উঠে আসে, এটিএকটি পরিকল্পিত খুন, এবং অনেক আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল চন্দ্রশেখর কে, তাই বুঝে ওঠার আগেই শেষ করে দিল। জনগণের দাবী খুনিদের খুঁজে বের করে চরমতম শাস্তি দেয়া হোক।। কেউ যেন ছাড়া না পায়।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষ ও মহিলাদের দাবী– যাহারা নারীদের অপমান করে এই ভাবেই শেষ হতে হবে।

সরকার বদলাচ্ছে, পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদের দাবিগুলি নতুন সরকার যেন করা হাতে ব্যবস্থা নেয়।

নারীদের সুরক্ষা, স্কুল ও কলেজে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, গুণ্ডা ও মস্তানদের বিতাড়িত করা, নারীদের সম্মান দেওয়া, স্বাস্থকেন্দ্র গুলিতে স্বচ্ছতাই পরিণত করা , কোনরকম দালাল ও এজেন্ট যাতে না থাকে তার ব্যবস্থা নেওয়া, প্রশাসনের জুলুমবাজী , সাধারণ মানুষকে হয়রানি, তোলা তুলা, এবং গুন্ডা মস্তানদের প্রশ্রয় না দেওয়া, সাধারণ মানুষের পাশে থাকা এবং আপদে বিপদে সহযোগিতা করা, এলাকাগুলিতে সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা,
এমনকি মোদি জি যে শর্তগুলি দিয়েছেন সেগুলি মানুষের কাছে কাছে পৌঁছে দেওয়া। বাস্তবায়িত করা। বিভিন্ন দপ্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা। যাহাতে সাধারণ মানুষ গিয়ে বিপদের সম্মুখীন না হয়, তাহার প্রয়োজনীয় কাজটি সুষ্ঠুভাবে পায়। গ্রামের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট জল নিকাশি ব্যবস্থা চাতে হয়।

মহিলারা যাতে রাস্তায় শান্তিতে চলাচল করতে পারে, বাবা মায়ের যাতে কোনরকম টেনশন না থাকে, নির্দ্বিধায় অফিস স্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে পারে ,আমরা নতুন সরকারের কাছে এইটুকুনি আবেদন রাখি।

আরেকটি আমাদের অনুরোধ ও দাবি, যেভাবে মন্দিরে মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হ্যারেস হতে হয়, বিভিন্নভাবে পয়সা দিতে হয়, পুজোর নামে তোলাবাজি, সুষ্ঠ ভাবে পুজোর না দিতে দেওয়া, মাকে দর্শন না করতে দেওয়া, কোন কিছু রাখার নামে শুধু পয়সা নেওয়া এগুলি বন্ধ করতে হবে। মন্দির পূন্য স্থান, পুণ্য করতে দূর দুরান্ত থেকে আসে, তাই আমাদের আবেদন, স্বচ্ছতা রাখার।

১৫ বছরের যা দেখেছি দ্বিতীয়বার যেন সেটা না দেখতে হয়, নির্ভয়ে সবাই চলাচল করতে পারে এটাই আশা করব।

আজ বেশ কিছু মার্কেটে ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটতে দেখা যায়, যারা ভেবেছিলেন তৃণমূল করার দায় হয়তো আর ব্যবসা করতে দেবেন না, কিন্তু বিজেপি রাজ্য সভাপতির নির্দেশে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা দোকান খুলে বসতে পারছেন, যেখানে দুদিন আগে গন্ডগোল হয়েছিল, যেখানে তৃণমূলের সমস্ত কিছু সরিয়ে বিজেপির পতাকা তুলে প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগিয়েছিলেন, সেই নিউ মার্কেট এলাকা আজ শান্ত।

মানুষ পরিবর্তন এনে দিয়েছে, ১৫ বছরের জ্বালা যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতে চেয়েছে, শান্তিতে থাকতে চেয়েছে, আর খুন খারাপী ধর্ষণ গুন্ডামি নয়, যেন সারা বাংলায় শান্তির বাণী ছড়ায়। শান্তিতে বসবাস করতে পারে ছেলে মেয়েদের নিয়ে, এটাই সাধারণ মানুষের ও নারী শক্তির আহ্বান সরকারের কাছে।

Bangla Photocard Generatorv3.7