

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : আগামী কাল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আর এই পরিক্ষা-ই হচ্ছে বর্তমান রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি সরকার ও সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর শাসনামলের দুই মাসের মাথায় প্রথম পরিক্ষা।
অতিত সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বারোটা বাজিয়ে দেয়ার পর সাবেক বিএনপি সরকার (বিগত ২০ বছর আগে) এর শিক্ষা বান্ধব, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির ধারক ও বাহক বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্থ্রী আ,ন,ম এহসানুল হক মিলন এর পূর্ন মন্ত্রীত্বের প্রথম পরিক্ষা।
ফলে, অতিত আর বর্তমান দুই-এ মিলিয়ে পরিক্ষা কেমন হবে দেখবেন সবাই আশা করি। আর মূল্যায়ন ও করবেন সবাই যথারীতি।
সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা থাকছে।
সকল পরিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে- অতিত কে ভুলে যাওয়ার জন্য। কারণ, সময় গুলো যেনতেন আকারে যেই পরিক্ষা হয়েছে তা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই/থাকবে ও না আগামী কাল থেকে শুরু হওয়া এই পরিক্ষায়।
সময় এখনো পেরিয়ে যায়নি পড়ার টেবিলে বসে পরিক্ষার প্রস্ত্ততি নিতে হবে।
চলবে না কোনো ধরনের বাইর থেকে সুযোগ পেয়ে লিখনি, সাথে নিয়ে যাওয়া যাওয়া সহ নকল নামক জঞ্জাট।
একজন সাংবাদিক হিসেবে যতোটুকু জানি-অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করা কড়াকড়ি আরোপিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে চলবে এবারকার এসএসসি পরিক্ষা। এবং এ ও জানি- পরিক্ষায় আসা বিবিধ: প্রশ্নের সাথে উত্তর মিলিয়ে লিখতে হিমসীম খাবে পরিক্ষার্থীরা।
এর কারণ টা অত্যন্ত স্বচ্ছ।
বিগত সময়গুলোতে পড়ালেখার নামে বিদ্যালয় গুলোকে ব্যবসায়ীকপ্রতিষ্ঠানের মতো পরিচালনা করিয়ে ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে হাজার হাজার-লাখ-লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া হলে ও পড়ালেখার বিষয়ে একেবারেই শুন্যতায় ছিলো।
বিদ্যালয় গুলোতে বছরে ৩ বার পরিক্ষার নামে হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। এবং এক ক্লাশ থেকে আরেক ক্লাশে উঠাতে গিয়ে ও নেয়া হয়েছে হাজার টাকা করে।
অথচ, পড়ালেখার ব্যাপারে ছিলো না কোনো ধরনের এবারকার এসএসসি পরীক্ষার প্রস্ত্ততি। এমনোতর: অবস্থার মধ্যে পরিক্ষার্থীরা একেবারেই অপ্রস্তুত বলতে গেলে।
সুতরাং, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে পরিক্ষার্থীরা পরিক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে পরিক্ষা দেয়া ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই।
এমতাবস্থায় সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য আমরা দৈনিক আমাদের জন্মভূমি’ পরিবারের পক্ষ থেকে সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা রাখছি।
আপনার মতামত লিখুন :