
মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এক অনন্য ও দৃষ্টান্তমূলক স্থান অর্জন করে নিয়েছেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান। উপজেলার ইতিহাসে এ যাবৎ দায়িত্ব পালন করা সকল নারী ইউএনও-দের মধ্যে সততা, কর্মদক্ষতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব বিচারে তিনি নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে রাত-দিনের কোনো ভেদাভেদ নেই নাঈমা খানের কাছে। রাত যত গভীরই হোক কিংবা তিনি যত বড় সরকারি বা জেলা পর্যায়ের মিটিংয়েই ব্যস্ত থাকুন না কেন—উপজেলার যেকোনো প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষের একটি ফোন কল পেলেই দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায় তাঁকে। কোনো ধরনের অজুহাত কিংবা অনিহা প্রকাশ না করে সবসময় বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের প্রধান ব্রত করে নিয়েছেন।
উপজেলার প্রান্তিক কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক—যেকোনো সমস্যার কথা নিয়ে সরাসরি তাঁর দ্বারস্থ হতে পারেন। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের তোয়াক্কা না করে মানুষের অভিযোগ শোনা এবং তাৎক্ষণিক আইনি ও প্রশাসনিক সমাধান দেওয়ার এই ধারাবাহিকতা তানোরের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এক ইতিবাচক হাওয়া এনে দিয়েছে।
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি মহলের পক্ষ থেকে এই সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মকর্তা সম্পর্কে সামাজিক মাধ্যম ও নানা মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিশীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন এবং নির্বাচিত সরকারের দেওয়া দিকনির্দেশনা ও নীতিমালা অনুসারেই প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। সরকারি পদে থেকে সরকারি নির্দেশ মেনে অর্পিত দায়িত্ব পালন করা যেকোনো কর্মকর্তার আইনি ও নৈতিক কর্তব্য। এটি অনুধাবন না করে একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।
তানোরের সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এই ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং ইউএনও নাঈমা খানের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। জনগণের কল্যাণ ও এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে তাঁর নেওয়া অগ্রগামী পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যেই সুশীল সমাজের প্রশংস কুড়িয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্পষ্ট বক্তব্য—”তানোর উপজেলার জনসাধারণের কল্যাণে এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইউএনও নাঈমা খান যে আন্তরিক ভূমিকা রেখে চলেছেন, তার কোনো বিকল্প নেই।” সকল ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার পেছনে ফেলে আগামীর দিনেও তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তানোরের সেবা করে যাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা তানোরবাসীর। ইউএনও নাঈমা খানের শুভ কামনা ও নিরবচ্ছিন্ন সাফল্য কামনায় এখন একাট্টা তানোরের সর্বস্তরের জনগণ
আপনার মতামত লিখুন :