

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা যে তা সর্বজন স্বিকৃত। কিন্তু, সাংবাদিকতার নামে বর্তমান সময়ে কি হচ্ছে তা কি সরকার, প্রশাসন এবং সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষের ভাবনায় আসছে?
বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক বান্ধব যে, সে কথা বৃহদাকারে বলার অবকাশ রাখে না। কিন্তু, সরকার প্রধানের উদার মনোভাব কে পুঁজি করে এক শ্রেণীর ধান্দাবাজ ব্যাক্তিরা এখন সাংবাদিকতা পেশার ওপর কালিমা লেপন করার সামিলে পরিনত করে নিজেরা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা চালাতে গিয়ে সাংবাদিকতা পেশার ওপর কুঠারাঘাত করে চলেছে।
চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সাংবাদিকতার নাম ব্যবহার করে একটি মহল বিশেষ সিন্ডিকেট করে ধান্দাবাজির মহোৎসবে লিপ্ত রয়েছে। এতে আসল সাংবাদিকরা একেবারেই কোণঠাসা হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
জেলার সীতাকুণ্ড ও মীরসরাই উপজেলার সর্বোত্র ওই সব ব্যক্তি বিশেষের লম্পঝম্প অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এসব এলাকায় ফেইজবুকে দুই লাইন লিখতে পারা ব্যাক্তিরা ও এখন নিজেদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সর্বোত্র। এতে করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলীয় নেতা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ও এক ধরনের বিব্রতকর: পরিস্থিতিতে পড়তে বাধ্য হতে হচ্ছে।
এবং ওই সব সাংবাদিক পরিচয়ধারী ব্যাক্তিরা সাধারণ মানুষের কাছে হাস্যরসের খোরাক হতে গিয়ে প্রকৃত/আসল সাংবাদিকদের কে ফেলে দিচ্ছে মহা বেকায়দায়।
মোদ্দা কথা- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুক ও ইউটিউবে যে ভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে যাচ্ছে কিছু দু’নম্বরী ধান্দাবাজ ব্যাক্তি তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এবং ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের।
কারণ, এতে ভোক্তারা প্রতিনিয়ত: প্রতারিত হচ্ছে।
আর তার সাথে সারাদেশে যে হারে ফেইজবুকে দুই লাইন লিখতে পারা ব্যাক্তিরা ও এখন সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এবং নিজের পকেটের টাকা দিয়ে যেনতেন আকারের একটা মাইক্রো ফোন/বুম হাতে নিয়ে টিভি চ্যানেল এর সাংবাদিক পরিচয়ে ধাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদেরকে দমন করতে হবে বলে চট্টগ্রামে দায়িত্ব রত: বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল এর প্রকৃত সাংবাদিকরা মনে করেন।
বর্তমানে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার।
ফলে, চট্টগ্রাম শহর এবং জেলার বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের সভা-সমাবেশ এবং মিছিল চলমান রয়েছে। আর ওই সব প্রোগ্রাম গুলোতে আমন্ত্রিত না হয়ে ও ওই সব সাংবাদিক নামধারী ধান্দাবাজ ব্যক্তিরা কাঁদে ব্যাগ, হাতে মোবাইল এবং যেনতেন আকারের মাইক্রো ফোন/বুম নিয়ে উপছে পড়ে। আর প্রোগ্রামস্থলে গিয়ে ছবি তোলা এবং ভিডিও করার নামে জটলা ফাঁকিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য একেবারেই তলানিতে ফেলে দেয়ার উপক্রম সৃষ্টি করে।
এ ছাড়া- তারা প্রোগ্রামে আমন্ত্রিত হয়ে আসা বিভিন্ন নের্ত্ববৃন্দের সামনে হাজির হয়ে মুখের সামনে মাইক্রো ফোন/বুম ধরে অযাচিত প্রশ্ন করে বসে। এতে সম্মানিত নের্ত্ববৃন্দের মধ্যে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করে। নের্ত্ববৃন্দরা না পারে কিছু বলতে এবং না পারে তাদের এমনোতর: কর্ম সইতে।
এর ফল শুরু হয়ে যিয় তাদের টাকা হাতিয়ে নেয়ার আসল ধান্দা। প্রোগ্রাম পরিচালনা কারী এবং সভাপতিত্ব কারীকে এক প্রকার জিম্মি করে তারা কৌশলগত ভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়।
এই অবস্থায় পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ও কিছু বলতে পারেন না এবং সইতে ও না পারার অবস্থার মধ্যে পড়ে থাকতে হচ্ছে।
ফলে, সব দিক বিবেচনায় স্থানীয় এমপি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে ওই সব সাংবাদিকতার নামে অপ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোরতা অবলম্বন করে বিহীত ব্যবস্থা নিতে হবে বলে প্রকৃত একাধিক সাংবাদিক সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এবং রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যাক্তিরা মনে করেন।
আপনার মতামত লিখুন :