অপরাহ্ণ ০৮:৫৫
শনিবার
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বাধ্য করার অভিযোগ ভিত্তিহীন, চকউলী হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের .


sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ন /
শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বাধ্য করার অভিযোগ ভিত্তিহীন, চকউলী হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের .

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:-

নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকউলী বহুমুখী হাইস্কুল এন্ড কলেজে ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক মানববন্ধনে অংশ নিতে বাধ্য করার যে খবরটি চাঁদনী বাজার পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।
​কর্তৃপক্ষের ভাষ্য ও প্রকৃত ঘটনা
​প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত সত্য গোপন করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে যে বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে তা হলো:
​স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন শিক্ষার্থীদের কোনো প্রকার জোর করা হয়নি। মূলত ক্যাম্পাসে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে শিক্ষক,কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা নিজ উদ্যোগে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
​পাঠদান ব্যাহত হয়নি সংবাদে ক্লাস বন্ধ রাখার যে দাবি করা হয়েছে তা সঠিক নয়। ক্লাসের নির্ধারিত সময়ের বাইরে খুব অল্প সময়ের জন্য এই শান্তিপূর্ণ প্রতীকী প্রতিবাদ জানানো হয়। এর ফলে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি।
​ব্যক্তিগত আক্রোশে একটি কুচক্রী মহল প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই এই মিথ্যা অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
​প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম ও
​প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়
​”প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে শিক্ষার্থীদের রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে, যা সত্যের অপলাপ মাত্র। সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ক্যাম্পাসে স্বচ্ছতা ফেরানোর জন্য ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। একটি বিশেষ মহলের স্বার্থে আঘাত লাগায় তারা সংবাদমাধ্যমকে ভুল তথ্য সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আমরা এই মিথ্যা খবরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

​স্থানীয় সচেতন অভিভাবকদের একাংশ জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে চলা অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার যে দাবি, তাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যই এই ‘জোরপূর্বক’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে প্রতিষ্ঠানের কোনো নিয়ম ভঙ্গ করা হয়নি।
​কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন যে, সঠিক তথ্য যাচাই সাপেক্ষে ভবিষ্যতে যেকোনো সংবাদ প্রচার করা হবে যাতে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানি না ঘটে।