অপরাহ্ণ ০৩:৪৮
শনিবার
৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সভাপতি পদে লড়ছেন তিনজন :রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ রাজশাহী চেম্বারের ভোট


sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন /
সভাপতি পদে লড়ছেন তিনজন :রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ রাজশাহী চেম্বারের ভোট

আমাদের জন্মভুমি ডেক্স

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮৯৮ জন।

নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে রাজশাহীর ব্যবসায়িক অঙ্গনে ব্যাপক উৎসাহ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী গত ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও জাতীয় নির্বাচনের কারণে তা স্থগিত করা হয়। এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ’ ও ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদ’ মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি হাসেন আলী, রাজশাহী হার্ড ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান খোকন এবং ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরি জোতি।
নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে সভাপতির পদের প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থী খোন্দকার মিজানুর রহমান খোকন বলেন,“নির্বাচনে আমরা জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। এতদিন সমাজের আর্ত মানুষের কথা বলেছি। এবার অর্থনীতির সর্বস্তরে গণতন্ত্রায়ণের কথা বলবো। নিশ্চিত করব। এর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের সব শ্রেণি-পেশাকে মূলধারার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করা।”
সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থী হাসেন আলীর কাছে নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,“আমাদের দীর্ঘদিনের আশা আকাঙ্খার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমি এর আগেও চেম্বারের দায়িত্বে থাকায় আমার একটু হলেও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি ব্যবসায়ীরা আমার পক্ষে তাদের উন্নয়নের জন্য ভোট দিবেন। আমি এটাও আশা করছি আগামীকাল আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত।”
সভাপতি প্রার্থী আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরি জোতি বলেন,“আমাদের একটা লক্ষ্য রয়েছে। আমি ব্যাক্তিগতভাবে রাজশাহী চেম্বারের উন্নয়ন নিয়ে ভেবেছি। আমাদের এখানে কি কি সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধান করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমি দীর্ঘদিন থেকে এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের পাশে থেকেছি। আশা করছি তারা আমাকে আবারো তাদের পাশে রাখার জন্য ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।”
এর আগে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল এবং ১০ জানুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি দেশের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, কৃষি ও সেবা খাতের বিভিন্ন উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে এ সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তবে গত এক দশক ধরে নেতৃত্ব সংকটের কারণে চেম্বারের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে অনেক ব্যবসায়ী মনে করেন। ২০১২ সালের পর টানা ছয়টি কমিটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় কার্যকর নেতৃত্বের অভাব অনুভূত হয়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আশা করছেন, এবারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে চেম্বারের স্থবিরতা কাটবে এবং ব্যবসায়ীরা তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাবেন