নিজস্ব প্রতিনিধি:
নওগাঁ জেলাধীন নিয়ামতপুর উপজেলার ঐতিহ্য বাহি ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ। এই কলেজের বহুল সমালোচিত ও নানা অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষের নাম ড. মো: আমজাদ হোসেন (আরবি) । জানা যায় যে, কলেজের একাধিক শিক্ষকের মুখে ও কলেজ এলাকার প্রতিটি মানুষের মুখে অধ্যক্ষ আমজাদের নানাবিধ অনিয়মের কথার যেন শেষ নাই। অধ্যক্ষ কর্তৃক নানা অনিয়ম মাউশি অধিদপ্তরে প্রমাণিত হওয়ায় অধ্যক্ষের বেতন বন্ধ করা হয়েছে।
এবার জানা গেল যে অধ্যক্ষের নিজের মুখে, কলেজ সভাপতি ও শিক্ষক প্রতিনিধির নিজের মুখে অধ্যক্ষের অনিয়ম প্রমাণিত। গত ১৭/০৫/২০২১ এবং ২০/০৫/২০২১ তারিখে অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেন তিনি নিজের মুখেই নিজের জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন ও বলেন যে তাঁর অনিয়মের ক্ষমা নাই এবং তিনি নিজেই বলেন যে আমার অনিয়মের দায়ে আমি (অধ্যক্ষ আমজাদ) সাসপেন্ড হব।
অন্যদিকে কলেজ গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতি যতীন্দ্র মোহন প্রামাণিক তিনি গত ২০২২ সালে বলেন যে অধ্যক্ষের লজ্জা নাই, অধ্যক্ষের শাস্তি হবেই ইত্যাদি। কলেজর বর্তমান, শিক্ষক প্রতিনিধি বিধান কুমার, প্রভাষক- (যুক্তিবিদ্যা) গত ১৮/০৫/২০২১ তারিখে তিনি বলেন যে প্রিন্সিপালের আচরণ ভালো না, অধ্যক্ষ কথা দিয়ে কথা রাখে না। তিনি আরো বলেন যে অধ্যক্ষের সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না ইত্যাদি। শিক্ষক প্রতিনিধি বিধান কুমার ভুক্তভোগী ও অভিযোগকারী প্রভাষক মো: এরশাদ আলী ( অর্থনীতি) এর পক্ষে কথা বলেন এবং তিনি এরশাদ আলী কে নিজের মত করে অভিযোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে বলেন।
সকল তথ্য পর্যালোচনা করে জানা যায় যে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মহোদয় জনাব আলহাজ্ব মো: সিদ্দিক হোসেন ও তিনার পরিবারের সদস্য বৃন্দ, কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির সভাপতি যতীন্দ্র মোহন প্রামানিক, সাবেক বিদ্যুৎসাহী সদস্য জনাব আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ, বর্তমান শিক্ষক প্রতিনিধি বিধানসহ কলেজের অন্যান্য সদস্য বৃন্দ, উপাধ্যক্ষ,ছাত্র- ছাত্রী, ছাত্র অভিভাবক এবং কলেজ এলাকার জনসাধারণ, কলেজ মার্কেটের ব্যবসায়ী গণসহ সকল জনসাধারণ অধ্যক্ষ মো: আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে গত ২২/০৮/২০১৫ তারিখের চলমান কলেজ গভর্নিং বডির মূল রেজুলেশন টেম্পারিং ও কলেজ পরিদর্শক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাক্ষর টেম্পারিং ও ডিজির প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগ দেওয়া, কলেজর শিক্ষার সার্বিক অবনতি সহ নানা অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন যা প্রমানিত। সকলেই অধ্যক্ষের স্হায়ী বরখাস্ত সহ যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও মাউশি অধিদপ্তরের নিকট দাবি করছেন। সেই সাথে ভুক্তভোগী ও অধ্যক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী প্রভাষক জনাব মোঃ এরশাদ আলী ( অর্থনীতি) এর স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতি পূরণ সহ বেতন ভাতা চালুর দাবি করছেন।