
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলাতে কথিত পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল এর সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্যে বিএনপি’র জন্য দুঃখ ও বেদনা দায়ক সংবাদে পরিনত হয়েছে।
২৮ অক্টোবর (বুধবার) এক-ই দিন এবং প্রায় এক-ই সময়ে মীরসরাইতে বিএনপি’র বড়ো দুইটি প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হলো। একটি মীরসরাই সদরে বিএনপি’র যুব সংগঠন যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র্যালি ও সমাবেশ। অন্যটি বারইয়ারহাট কলেজ মাঠে নুরুল আমিন এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল খেলার আসর।
অন্যান্য সময়ের মতো এই দুইটি প্রোগ্রামে ও মীরসরাইতে হুহু করে ৫ আগষ্টের পর থেকে বিশেষ করে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে বেড়ে যাওয়া সাংবাদিক নামধারীরা টাকা পাওয়ার আনন্দ- উল্লাসে দুই দিকেই ছুটাছুটি করে। যার ভাগ্যে যাহা ছিলো তাহা পেয়েছে। কেউ কেউ পেয়েছে ১ হাজার টাকাকরে আবার কেউ ২-৩ হাজার টাকা ও হাতিয়ে নিয়েছে পত্রিকায় নাম আসার খায়েসধারী ও টিভি চ্যানেল এর ভিডিওতে নিজের চেহারা দেখা যাওয়ার আহাম্মক বিএনপি’র নেতা নামধারী ব্যাক্তিদের হাত ধরে/শরীর মলে! মুলত: কোন্ পত্রিকায় তাদের খায়েস এর নাম এসেছে? এবং কোন্ টিভি চ্যানেল এ ভিডিওতে কার চেহারা দেখা গেছে?
তবে, দুরন্তপনা প্রকৃতির পত্রিকার সাংবাদিক নামধারীরা যে সব বিএনপি’র নেতাদের থেকে টাকা নিয়েছে তাদের নাম-পদবী লিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে পোষ্ট দিয়ে কাম সারা করেছে। আর টিভি চ্যানেল এর সাংবাদিক পরিচয় দানকারীরা নামে বেনামে ফেইজবুকে পেজ খুলে তাতে টিভি চ্যানেল এর লোগো লাগিয়ে তা আপলোড দিয়ে চোখে ধুলো মেরে দিয়েছেন ওই সব চালাক চতুর নামে নের্তৃত্বের যোগ্যতা হীন বিএনপি’র নেতা নামধারীদের।
আর বারইয়ারহাট কলেজ মাঠে বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ নেতা/বারইয়ারহাট পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক দিদারুল আলম মিয়াজিকে দাঁড় করিয়ে মুখের সামনে মাইক্রো ফোন/বুম ধরে সাক্ষাতকার নেয়ার নামে ভিডিও ধারণ করে রিতি মতো ব্লাকমেইলিং করেছে। ওই সাক্ষাতকার ফেইজবুকে খোলা পেজ এ ছাড়া কোন্ টিভি চ্যানেল এর কয়টার সংবাদে দেখানো হয়েছে তা যেই সাংবাদিক ওই টিভি চ্যানেল এর নাম ব্যবহার করে ধান্দাবাজি-ছিটিংবাজি করেছে তাকে জবাবদিহি করার দরকার রয়েছে।
অবশ্য, দুই/একটা পত্রিকায় নিউজ আসতে ও পারে। তবে, তা নামকরা জাতীয় বা আঞ্চলিক তেমন কোনো পত্রিকায় নয়। আসতে পারে হয়তো নামখায়াওয়াস্তের কোনো না কোনো পত্রিকায়। হয়তো বা জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকার কোনো সাংবাদিক যদি সেখানে উপস্থিত থাকে তাহলে দুই/একটি পত্রিকায় আসবে না যে তা ও নয়।
তবে, বিএনপি’র কোনো না কোনো প্রোগ্রাম গুলোতে টাকা পাওয়ার আনন্দ- উল্লাসে দৌড়াদৌড়ি- ছুটাছুটি করা সাংবাদিক নামধারী ছিটিং বাটপার ছাড়া নামিদামি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায এবং টিভি চ্যানেল এ দায়িত্ব রত: পেশাদারী সাংবাদিকরা প্রোগ্রামের নিউজ করলে তা বিএনপি’র এবং নেতাদের জন্য যে লাভ হয়/হবে তা যতোদিন পর্যন্ত বিএনপি’র নেতারা বুঝবেন না ততোদিন ওই সব সাংবাদিক নামধারী ছিটিং বাটপারদের লম্ফঝম্প ও কমবে না। আর নামিদামি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোতে দল এবং তাদের কাভারেজ পাওয়া যাবে না বলে পেশাদারী সাংবাদিক সহ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ জনদের অভিমত।
আপনার মতামত লিখুন :