[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

লিবিয়ায় অপহরণের আড়াই মাস পর প্রবাসী আলমগীরের মৃত্যুর খবর, শোকে স্তব্ধ মান্দার নুরুল্লাবাদ।


sohel প্রকাশের সময় : জুন ১০, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ন /
লিবিয়ায় অপহরণের আড়াই মাস পর প্রবাসী আলমগীরের মৃত্যুর খবর, শোকে স্তব্ধ মান্দার নুরুল্লাবাদ।

মোঃ মমিন আলী নওগাঁ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার নুরুল্লাবাদ গ্রামের প্রবাসী যুবক আলমগীর হোসেন (৪৫) লিবিয়ায় অপহৃত হওয়ার আড়াই মাস পর তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত আলমগীর হোসেন উপজেলার নুরুল্লাবাদ গ্রামের মৃত দিদার বক্স খাঁনের ছেলে। তিনি দীর্ঘ সাত বছর ধরে লিবিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যার পর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির তাজুয়ারা এলাকায় কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের পোশাক পরিহিত একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাঁকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

আলমগীরের ভাই লিবিয়াপ্রবাসী জিল্লুর রহমান জানান, আলমগীর তাজুয়ারা ডিসি পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অপহরণের পর তাঁকে উদ্ধারের জন্য লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি হয়নি। তিনি জানান, সন্ত্রাসীদের ওই আস্তানায় আরও ৩১ জন বাংলাদেশিকে জিম্মি করে রাখা হয়েছিল।

জিল্লুর রহমানের দাবি, জিম্মিদের মধ্যে পাঁচজন মুক্তিপণ দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন। আলমগীরের মুক্তির জন্যও ২৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় অন্তত এক মাস আগে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে সম্প্রতি দূতাবাসের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া জিম্মিদের কাছ থেকে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মোবাইলে ধারণ করা ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা সেটি আলমগীর হোসেনের মরদেহ বলে শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও জানান, আলমগীরের মরদেহ উদ্ধার ও দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

নিহতের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, “আমার স্বামীই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ২৮ মার্চ কাজে যাওয়ার আগে তাঁর সঙ্গে শেষবারের মতো কথা হয়েছিল। এরপর আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। গতকাল রাতে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি।”

তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর স্বামীর মরদেহ দ্রুত উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।

আলমগীর হোসেনের মৃত্যুর খবরে নুরুল্লাবাদ গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও এলাকাবাসী সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7