

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ২৯ আগষ্ট (শনিবার) বিবদমান দুই প্রেসক্লাবের মধ্যে এক প্রেসক্লাবের সম্মেলনের নামে পলাতক আওয়ামী সন্ত্রাসীদের মিলন মেলায় পরিনত করা হয়েছে!
অবস্থাদৃষ্টে যেনো মনে হওয়ার কথায যে, এক বেলা পেট পুরে খেতে পারলেই কি মীরসরাইতে থাকা বর্তমান বিএনপি’র নেতা নামধারীদের জন্য যথেষ্ট?
সূত্র মতে, ২৯ আগষ্ট (শনিবার) দুপুরে এক বেলা খাওয়া-ই হলো সেই রকম! কিন্তু, ওই খাওয়া কে খাওয়াইলো এবং কেনো খাওয়াইলো সেটার ও বাদ-বিচার নেই খানেওয়ালাদের কাছে!!
৫ আগষ্টের আগে লাপাত্তা থাকা হলে ও কোনো না কোনো কারণ বশত: ৫ আগষ্টের পরে উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো বর্তমান মীরসরাই বিএনপি’র রাজনীতিতে স্থান দখল করে নেয়া নেতা নামধারী কিছু ব্যাক্তির জন্য সেটা যেনো কোনো ফ্যাক্টর-ই না!!!
প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো- মীরসরাই প্রেসক্লাব (২ টার মধ্যে ১ টা) এর ২৯ আগষ্ট (শনিবার) সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন ছিলো। আর উক্ত প্রোগ্রামটি অধিক ব্যয়বহুল এবং জমজমাট আয়োজন ছিলো দেশের বৃহত্তম: সেচ প্রকল্প মহামায়া লেক এর রিসোর্ট এ।
সেখানে আমন্ত্রিত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে মীরসরাই থেকে নির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।
বলাবাহুল্য যে, এমপি হিসেবে নুরুল আমিন যেখানে সেখানে প্রধান অতিথি হয়ে যেতে পারেন। তবে, কতোগুলো বিষয় ভাবনায় ও রাখার দরকার পড়ে। অবশ্য, এমপি’র চাইতে বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতাদের বিষয় সংক্রান্ত বিষয়ে ভাবনা চিন্তার অত্যাবশ্যকতা ও রয়েছে শতোভাগ। বিগত আওয়ামী লীগের দুঃশাসনামলে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেককে জীবন বাঁচানোর তাগিদে দেশ ছেড়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে পাড়ি জমাতে হয়েছে। আবার অনেককে ঘর-বাড়ি ছেড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ও থাকতে হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। দল ক্ষমতায় আসার পর কেউ কেউ এলাকায় ফিরে আসলে ও অনেকেই রয়ে গেছে এখনো সেই আগেকার মতো এলাকা ছাড়া অবস্থায়।
আর তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে থেকে এবং যারা দেশের বাইরে রয়েছে সেখান থেকে মীরসরাইয়ের বিগত সময়ে তাদের ওপর মামলা-মামলার কুশিলব-সন্ত্রাসীদের নাম-ধাম উল্লেখ করে একাধিক বার লিখেছেন এবং এখনো লিখে যাচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেই সিরিয়ালে রয়েছে মীরসরাইয়ের কয়েকজন সাংবাদিক নামধারীদের নাম-ধাম ও। আর ওই সব সন্ত্রাসী-ব্যাক্তিরা বিগত আগষ্টের পর পরই পালিয়ে যায়। দীর্ঘ কয়েকমাস পলাতক থাকার পর অনেককে দেখা যাচ্ছে নিজ নিজ এলাকায় এসে অবস্থানে থাকতে!
অথচ, বিএনপি’র দায়িত্ববান নেতারা যেনো চোখে কালো চশমা লাগিয়ে রাখার মতো অবস্থায় ওই সব কিছুই দেখছেন না!! আর ২৯ আগষ্ট (শনিবার) মহা মায়া লেক এর রিসোর্ট এ মীরসরাই প্রেসক্লাবের ওই প্রোগ্রামে পালিয়ে থাকা সবাইকে দেখা গেছে এক সাথে ! যেনো অনেক দিন-মাস এবং বছর পর তাদের মিলন মেলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিলো!!! অনেকেই আবার বিএনপি’র তথাকথিত নেতা নামধারীদের সাথে করমর্দনের পর তাদের সহায়তায় এমপি নুরুল আমিন এর সাথে ও করমর্দনের সুযোগ পেয়ে যায়।
বলার যেনো কিছু-ই নেই। কিছু বলার ভাষার যেনো বিলুপ ঘটার অবস্থা হয়েছে।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হওয়ার-ই কথা যে, চাইলে মনে হয় এমপি ও পারবেন না কিছু করতে বিএনপি’র ওই সব নেতা নামধারীদের কারণে?
এ প্রতিবেদক প্রোগ্রামের দাওয়াত পেয়ে ও গেলেন না শুধু ওই সব দেখে চোখ বন্ধ রাখতে হবে বলে। আর প্রোগ্রাম শেষে উপরোল্লিখিত বিষয়াবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরে নিজের না যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হয়েছে বলে নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ দিচ্ছন প্রতিবেদক।
আপনার মতামত লিখুন :