অপরাহ্ণ ০৮:১২
শনিবার
১২ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের মীরসরাইতে বিএনপি’র কিছু নেতা-কর্মীর মধ্যে শুধু খাই খাই ভাব! তৃণমূল নেতা কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ


sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন /
চট্টগ্রামের মীরসরাইতে বিএনপি’র কিছু নেতা-কর্মীর মধ্যে শুধু খাই খাই  ভাব! তৃণমূল নেতা কর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই বিএনপি’র ভিতর বর্তমানে কিছু নেতা কর্মী নামধারী ব্যাক্তি রয়েছে যাদের শুধু খাই খাই আর পাই পাই ভাব! কে, আওয়ামী লীগ, কে জামায়াত এবং কে বিএনপি এবং বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনামলে কার, কি ভুমিকা ছিলো এবং কার কার হিংস্রতার বলি হয়ে বিএনপি’র হাজার হাজার সাধারণ নেতা কর্মীরা জীবন বাঁচানোর তাগিদে এবং মিথ্যে মামলার আসামি হয়ে পুলিশের গ্রেপ্তার-হয়রানী এড়াতে মা-বাবা, ভাই- বো, এবং স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে সহ ঘর/বাসা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য হতে হয়েছিলো তাদের কাছে সেটা বিবেচ্য নয়! তাদের দরকার শুধু খাওয়া আর পাওয়া!!

এখনকার এমন বিএনপি দেখার জন্য দীর্ঘ ১৭ টা বছর অত্যাচার-নির্যাতন সহ নানাবিধ: দুর্ভোগের অমানিশা কাটিয়ে অপেক্ষা করে থাকেনি দল প্রিয় সাধারণ নেতা কর্মীরা।
ভালো করে খেয়াল করলে বা খবর নিয়ে দেখলে দেখা যাবে- বিএনপি’র নেতা কর্মীর পরিচয় ধারী কিছু ব্যক্তি বিশেষ কার সাথে চলাফেরা করছে। এবং কোন্ কোন্ ব্যাক্তির কোনো না কোনো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে চেয়ারে গিয়ে বসছেন এবং হাসৌল্লাসে খাওয়া দাওয়া করে তার বা তাদের অতিত সব অবৈধ এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ড সহ নানাবিধ: জুলুম-নির্যাতনকে বৈধ করে দিচ্ছেন!?
কে, কি বলেন?
লিখনিতে সত্যতা আছে কি?
অবশ্য, বলাবাহুল্য যে- শুধু চট্টগ্রামের মীরসরাইতেই নয় পুরো চট্টগ্রাম ব্যাপী ও এক- ই অবস্থা বলে দলের একাধিক নেতা কর্মীরা জানিয়েছেন।
এবং তা শুধু চট্টগ্রামেই নয় পুরো দেশের বিভিন্ন জেলা/উপজেলায় ওই রকম অবস্থা বিদ্যমান বলে পাওয়া সূত্র থেকে প্রকাশ।
আর এ অবস্থা চলতে থাকলে বর্তমান বিএনপি সরকার এবং সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যতো ভালো কাজ- ই করেন না কেনো এবং করার চেষ্টা করেন না কেনো দলের মধ্যে থাকা ওই সব নেতা কর্মী নামধারীদের ওই রকম কর্মে সব কিছুই চাপা পড়ে যাওয়ার আশংকার ও অনুমান করছেন অনেকেই।
আর সে কারণে বিএনপি’র চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকেই মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সিলেক্ট করে দলের মধ্যে থাকা ওই সব খাই খাই পাই পাই করে ৫ আগষ্টের আগে যাদের দন্যদশা ছিলো আর ৫ আগষ্টের পর থেকে কারা কারা লাখোপতি -কোটিপতি বনে গেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে দলকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে যেতে হবে বলে রাজনৈতিক অভিজ্ঞ জনদের মতামত।