
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইতে প্রেসক্লাবের সম্মেলন/কমিটি গঠন, জানেন না এমপি, ছিলেন না ক্ষমতাসীন দল সহ অন্যর কোনো দলের নেতারা!
সূত্র মতে, মীরসরাইতে থাকা দীর্ঘ দিনের বিরোধপূর্ণ দুই প্রেসক্লাবের মধ্যে এক প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও অত্যাধিক ব্যয়বহুলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে অল্প কয়েকদিন আগে উপজেলার মহামায়া লেক এ।
আর তাতে যদি ও বা সাধারণ সম্পাদক পদে দুই জনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। কিন্তু, সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করা হয় একজন কে নির্বাচিত!
আর তাতে প্রধান অতিথি করা হয়েছিলো মীরসরাই থেকে নির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন। এ ছাড়া উপস্থিত করানো হয়েছিলো ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিএনপি’র এক ঝাঁক নেতা কর্মীকে। সাথে ছিলো জামায়াতের ও ক’জন। এর বাইরে বিভিন্ন স্থানের অনেক জন ও আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলো। আর দুপুর বেলা হাই লেভেলের খানাপিনা তো চলেছে-ই।
তবে, ব্যাতিক্রম হলো শুধু গতকাল ২৪ অক্টোবর (শনিবার) মীরসরাইয়ের অপর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সংক্রান্ত বিষয়ে। এই কমিটি গঠন তাদের প্রেসক্লাবের মধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়নি এমপি নুরুল আমিন কে! এবং ছিলো না কোনো বিএনপি নেতাদের পদধূলি!! এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা ও ছিলো না!!! বলতে গেলে একেবারেই সাদামাটা। তবে, অনুস্মরিত হয়েছে পূর্বেকার প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন কে। এই প্রেসক্লাবের ও সভাপতি হয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আর দুই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে একজন নির্বাচিত হয় সাধারণ সম্পাদক। মূল্যায়ণ করে দাওয়াত ও দেয়া হয়নি মীরসরাইতে কর্মরত: প্রবীণ সিনিয়র কোনো সাংবাদিক কে ও!
আর এ ভাবেই চলছে মীরসরাইয়ের সাংবাদিকতার মতো মহান পেশার অঙ্গন। ব্যাপক খবর নিয়ে জানা গেছে, ওই প্রেসক্লাবের নির্বাচনে যাদেরকে সদস্য)ভোটার বানানো হয়েছে তাদের মধ্যে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে খোলা বিভিন্ন পেজ এর অধিকারী। এবং অধিকাংশরা নামখাওয়াস্তের ক’টি পত্রিকার পরিচয় দেয়া প্রতিনিধিরা ও ওই প্রেসক্লাবের সদস্য/ভোটার।
বলতে গেলে অনেককে ফেইজবুক সাংবাদিক বলা হয়! অথচ, সাইটে পড়ে রয়েছে একাধিক পেশাধারী সাংবাদিকরা।
ফলে, প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এটা কেমন ধরনের প্রেসক্লাব এবং কেমন ধরনের সাংবাদিকতা?
আপনার মতামত লিখুন :