পূর্বাহ্ণ ০৩:৫৬
বৃহস্পতিবার
১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার ৫ নং কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে পুনরায় আবারও চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান ইউনিয়নবাসি।


sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ন / ০
গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার ৫ নং কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যানকে পুনরায় আবারও চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান ইউনিয়নবাসি।
শুনুন বাংলায় Ready

বাবুল রহমান রবিন গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
জনগণের সেবাই জনপ্রতিনিধির মূল ধর্ম।চেয়ারম্যানের চেয়ারের চেয়ে ইউনিয়নের মানুষের আস্থা অর্জনকেই বড় করে দেখছেন,কে মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য, কে বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা দিতে পারেন এবং কে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন- আজ গল্প তুলবো যে এমন এক ব্যাক্তির কথা সবার সুপরিচিত  গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৫ নং কচুয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সফল চেয়ারম্যান মোঃ লিয়াকত আলী খন্দকারকে আবারও পুনরায় চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান ৫ নং কচুয়া ইউনিয়নবাসি। 

দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিভিন্নভাবে সহযোগীতার হাত প্রসারিত করে মানবতার ফেরীওয়ালা হিসেবে সুপরিচিত হয়েছেন তিনি।  এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে তার অবদানের কমতি নেই। তিনি মার্জিত, ভদ্র স্বভাবী, সৎ চরিত্রে অধিকারী হওয়ায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে ভোট প্রদান করে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত করার অঙ্গিকার করে অধিকাংশ ভোটাররা জোট বেধেছে।

একজন সেবা প্রত্যাশী বলেন, “চেয়ারম্যানকে পরিষদে নিয়মিত পাওয়া যাচ্ছে। নিজের প্রয়োজনের কথা সরাসরি বলতে পারছি। তিনি ধৈর্য ধরে কথা শুনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন। এতে আমাদের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।” ‎ ‎আরেক সেবা প্রত্যাশীর ভাষ্য, “জনপ্রতিনিধিকে কাছে পাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সমস্যা হলে পরিষদে এসে চেয়ারম্যানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা যাচ্ছে। আমরা চাই, এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকুক।” ‎ ‎স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, “মানুষ চায় তার নির্বাচিত প্রতিনিধি মানুষের পাশে থাকুক। চেয়ারম্যান নিয়মিত পরিষদে বসলে সাধারণ মানুষ সহজেই যোগাযোগের সুযোগ পায়। এতে পরিষদের প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়ে।”

পথচারী হাবিবুল্লা বলেন,ওই কচুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী হিসেবে কাউকে ভাবতে পারছে না ভোটাররা। সে বর্তমানে সুনামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি গরীবদের ভাতা ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা কাবিখা,কাবিটা,টিআরসহ সরকারের সকল ধরণের বরাদ্দ সঠিকভাবে বন্টন করেছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজার ও চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তার সুনাম।একাধিক ভোটাররা জানান, তিনি পুনরায় আবারও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকায় মাদক, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে এবং সমাজের সকল অপরাধ মুক্ত থাকবে। আমরা এলাকাবাসী আশাবাদী আবারও লিয়াকত চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত হবেন। 

এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার কোনো বিকল্প প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছেনা এলাকার জনগণ। ইউনিয়নবাসী, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এবং সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য বর্তমান তিন তিন বারের সফল ইউপি চেয়ারম্যান  প্রার্থী  পুনরায় চেয়ারম্যান হিসাবে আবারও নির্বাচিত করবেন বলে জোট বেধেছে সাধারণ জনগণ।

চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খন্দকার বলেন,আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। জনগণের সেবা করাই আমার প্রধান দায়িত্ব। তাই পরিষদে নিয়মিত উপস্থিত থেকে মানুষের কথা শোনা এবং তাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।”

চেয়ারম্যান আরও বলেন,ভোট আসবে,ভোট যাবে, আমরা কারো প্রতি কোন প্রতিহিংসা করবো না,আমি বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনগণ যদি পুনরায় চায় আমি আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে চেয়ারম্যান আরও বলেন, নিজের অর্থায়নে যতটা পারছি এই ৫ নং কচুয়া ইউনিয়নবাসির জন্যই করেছি ইনশাআল্লাহ করেই যাবো।

2

2