পূর্বাহ্ণ ০৪:১৯
সোমবার
১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​শিক্ষার মাধ্যমে পর্যটনের রূপান্তর—পর্যটন শিল্পে জ্ঞান, দক্ষতা ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব


sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন / ০
​শিক্ষার মাধ্যমে পর্যটনের রূপান্তর—পর্যটন শিল্পে জ্ঞান, দক্ষতা ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব
শুনুন বাংলায় Ready

এম,এ,মান্নান,স্টাফ রিপোর্টার,নিয়ামতপুর (নওগাঁ)

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। পর্যটনের গুরুত্ব, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবদান এবং মানুষের মধ্যে পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।পর্যটনকে শুধু ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষা, সংস্কৃতি, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ প্রয়োজন।
পর্যটন শুধু বিনোদন বা ভ্রমণের মাধ্যম নয়; এটি একটি দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত।পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে।দেশের ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সম্পদের পরিচিতি বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার অনন্য সুযোগ তৈরি হয়।এ বছর বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য “Tourism and Peace” নয়; ২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার ঘোষিত প্রতিপাদ্য অনুযায়ী দিবসটির মূল ভাবনা পর্যটন ও রূপান্তরের সঙ্গে শিক্ষা ও দক্ষতার সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।পর্যটন খাতে আধুনিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটানো।প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে শিল্পটিকে আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই রূপ দেওয়া।বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পদগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সবসময় আকৃষ্ট করে,বিশ্বখ্যাত কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ও ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন।পার্বত্য চট্টগ্রামের নৈসর্গিক রূপ ও সিলেটের চা-বাগান।নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের প্রাচীন ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহ।দেশের বৈচিত্র্যময় নদ-নদী এবং নির্মল গ্রামীণ প্রকৃতি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যটনকে আরও এগিয়ে নিতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন-দ্রুত ও আধুনিক যোগাযোগের মাধ্যম গড়ে তোলা।পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতকরণ,পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা,পর্যটনকেন্দ্রিক প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী তৈরি ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো,স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি,পর্যটন এলাকাগুলোর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।
​বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো পর্যটনের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করা। তাই শিক্ষা, দক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে টেকসই উন্নয়নের মূল হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

2

2