

নিজস্ব প্রতিবেদক
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত দিয়ে যাতে অবৈধভাবে চোরাচালানী মালামাল, মাদকদ্রব্য কিংবা অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যগণ কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর অধীনস্থ খরচাকা বিওপি’র আভিযানিক দল নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারে যে, গোদাগাড়ী থানাধীন মোল্লাপাড়া নামক এলাকার আম বাগানের মধ্যে কিছু চোরাচালানী মালামাল পাচারের উদ্দেশ্যে লুকানো অবস্থায় আছে। তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি’র আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে আভিযানিক দল একটি আম গাছের গোড়ায় ঘাসের মধ্যে একটি ব্যাগ দেখতে পায়। পরবর্তীতে আভিযানিক দল ব্যাগটি খুললে তার মধ্য হতে ১০,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল শুল্ক গুদাম, রাজশাহী জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন ।
একই দিনে রাত্রি আনুমানিক ০৪৩০ ঘটিকায় অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ মীরগঞ্জ বিওপি’র টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, বাঘা থানাধীন ভানুকর নামক এলাকা দিয়ে চোরাচালানী মালামালের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আম বাগানের মধ্যে ফাঁদ পেতে থাকে। দীর্ঘ সময় ফাঁদ পেতে থাকার এক পর্যায়ে টহল দল হতে কিছুটা দূরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পায় এবং ঘটনা যাচাই করার জন্য সুকৌশলে অগ্রসর হলে চোরাকারবারীরা টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে টহল দল আম বাগানের মধ্যে পরিত্যক্ত একটি বস্তা দেখতে পায়ে এবং বস্তাটি খুললে তার মধ্য হতে ৫,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স, ০২ টি ভ্যাসমল কেস কালা এবং ০১ বোতল ডাবর স্পেশাল তেল* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
আপনার মতামত লিখুন :