

(রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলঘেরা তানোর উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের টেকসই উন্নয়ন ও গতিশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দৃশ্যমান পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও সফল নেতৃত্বে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে একগুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক সততা ও কর্মতৎপরতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনের মানোন্নয়নে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নতুন ও চলমান অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রধান উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক কাজগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
শিক্ষা ও আইসিটি খাতের আধুনিকায়ন: পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার আওতায় আনতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও প্রজেক্টরের সুব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া তরুণ প্রজন্মকে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্মার্ট কৃষি ও টেকসই সেচ ব্যবস্থা: বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসঙ্কট নিরসনে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সোলার প্যানেলভিত্তিক সেচ পাম্প চালুর উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সামাজিক ব্যাধি দূরীকরণ ও পুনর্বাসন: বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল থেকে ঝরে পড়া রোধে তানোরে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর সুষ্ঠুভাবে হস্তান্তর এবং বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা হয়েছে।
জরুরি অবকাঠামো সংস্কার: প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা স্থানীয় সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট, বাঁধ ও চলাচলের পথ দ্রুত সংস্কার করে জনগণের যাতায়াত সুগম করা হয়েছে।
দাপ্তরিক সেবা ও সততা: প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে নিয়মিত ‘গণশুনানি’ আয়োজন করা হচ্ছে। এর ফলে যেকোনো হয়রানি ছাড়াই জনগণ সরাসরি তাদের সমস্যা ও সেবার সমাধান পাচ্ছেন।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইউএনও নাঈমা খানের এই সক্রিয় ভূমিকা স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তানোর উপজেলাকে একটি আধুনিক ও রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে প্রকাশ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :