

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
মান্দায় স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে তরুণীর অনশন অবশেষে ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রেস ক্লাবে রফাদফার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৮নং কুসুম্বা ইউনিয়নে নাড়াডাং গ্রামের খোরশেদ মুহুরীর ছেলে পলাশ আট মাস আগে বিয়ে করে নওগাঁ সুলতানপুর এক কলেজ পড়ুয়া তরুণীকে। এরপর পলাশের স্ত্রী তার শ্বশুরবাড়িতে আসতে চাইলে নানা টালবাহানা করে মেয়েটিকে তার বাবার বাড়িতে রেখে সেখানেই যাতায়াত করতো পলাশ। কিন্তু গেল ১৪ তারিখে খোরশেদ মোহরীর প্রতারক ছেলে পলাশ বড় স্ত্রীকে কোন কিছু না জানিয়ে নাটোর জেলায় আরো একটি বিয়ে করে স্ত্রীকে দিয়ে আসেন বাড়িতে। এতে করে এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অপরদিকে স্বামীর অধিকার আদায়ে তরুণীর ছুটে আসেন মান্দা উপজেলার নাড়াডাং গ্রামের ছেলে পলাশের বাড়িতে। স্বামী পরিবার তাকে বাড়িতে উড়তে না দেওয়ায় স্বামীর অধিকার চেয়ে অনশনে বসেন দুইদিন ধরে। অবশেষে পলাশের বাবা খোরশেদ মুহুরী ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে মেয়েটিকে তাড়িয়ে দেওয়ার নানা প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু মেয়েটি তাতে কোনোভাবেই রাজি না তার একটাই দাবি স্বামীর সংসার। এই ঘটনায় পলাশের বাবা খুরশিদ মুহুরী বলেন, আমার ছেলে পলাশ নওগায় বিয়ে করেছিল সেটা আমার জানা নেই তারা আমাদের আত্মীয় হয় সেই সুবাদে আমার ছেলে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। তবে আমার ছেলে নাটোরে বিয়ে করেছে সেই স্ত্রীকে নিয়ে এখন বাড়িতে আছে। আপনার ছেলের বড় স্ত্রী বাড়িতে এসেছে এটা কি করবেন এমন প্রশ্ন জবাবে তিনি বলেন যে আপনার একটু সহযোগিতা করেন যত টাকা লাগে এই মেয়েটিকে কোনভাবেই বাড়িতে উঠতে দেওয়া যাবে না বলে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন পলাশ শুধু নওগাঁর নাটোরই নয় আরো ৪-৫ জায়গায় সুন্দরী মেয়েদেরকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বনাশ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এ ব্যাপারে পলাশের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করালেও তাকে পাওয়া যায়নি। বড় স্ত্রীর বাবার দাবি নাটোরে যে মেয়েটিকে আমার জামাই পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করেছে তাকে তালাক দিয়ে তারপরে আমার মেয়েকে এ বাড়িতে উঠিয়ে নেওয়া হোক। তা না হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেব।
আপনার মতামত লিখুন :