

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন হ্রদয় ও তার বন্ধু অপর দুই ছাত্রদল নেতা সহ অবৈধ ব্যবসা সহ নানাবিধ: অবৈধ কাজে বাধা দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় তিন ছাত্রদল নেতা/বন্ধু গুরুতর: আহত হয়। আহতদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা হ্রদয় সপ্তাহ যাবত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ে অবশেষে ২৪ এপ্রিল (শুক্রবার) দুপুরের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাকি দুই জনের অবস্থা ও শংকটাপন্ন।
২৫ এপ্রিল (শনিবার) দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে তার মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি মীরসরাই উপজেলার ১ নং করেরহাট ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড কয়লা বাজার সংলগ্ন সোনাই গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হলে চারিদিক থেকে হাজারো নারী পুরুষ শেষবারের মতো হ্রদয়কে একনজর দেখতে তার বাড়িতে ভিড় জমায়।
ওই দিন বাদ আছর নিহত ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার হোসেন হ্রদয়ের নিজ গ্রামের বাড়ি এলাকাস্থ সোনাই উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার নামাজ শেষে তৎসংলগ্ন মসজিদের পাশের কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
জানাজা ও দাফনে মীরসরাই থেকে নির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন সহ দলের অন্যান্য নেতা কর্মীরা সহ হাজারো মানুষ শরিক হন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা আহছান উল্লাহর উপস্থাপনায় জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জনগণের দাবির মুখে নুরুল আমিন এমপি বলেন, যতোদূর সম্ভব আমার নির্দেশনা মোতাবেক পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আশা করে বলেন, সন্ত্রাসী ও বিবিধ: অপকর্মের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অচিরেই ঘটনার সাথে জড়িতদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে শাস্তির আনতে পারবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সময় বিএনপি নেতা আবদুল খালেক ও আহছান উল্লাহ সহ স্থানীয় অন্যান্যরা এমপি নুরুল আমিন এর আন্তরিকতা পূর্ন ভূমিকার প্রশংসা করে ছাত্রদল নেতা হ্রদয় হত্যা কারীরদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের প্রতি দাবি জানান।
আপনার মতামত লিখুন :