

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের করেরহাট এলাকায় সাংবাদিক কামরুল এর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে এখনো বিভাজন- অনৈক্য কেনো?
সূত্রমতে, উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের করেরহাট বাজার’র দক্ষিণ সন্নিকট ব্রিজ এলাকায় গতকাল রাত প্রায় সাড়ে ১০ টার দিকে কামরুল ইসলাম নামে একজন সাংবাদিক সন্ত্রাসী হামলায় আহত হওয়ার খবর প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু, হামলাটা কেনো/কি কারণ তার সঠিক তথ্য এখনো জানা না গেলেও পত্রিকায় প্রকাশিত একটা নিউজ কে শো করা হয়েছে।
যে কোনো বিষয়কে ইস্যু করে কোনো সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা নিন্দনীয়। হামলা ঘটনার সময় এতো রাতে ওই সাংবাদিক ও বা কেনো গেলো হামলার ঘটনাস্থল ওই নির্জন জায়গায় এমন প্রশ্ন ও অনেকের মধ্যে উঁকি মারছে। অনেক কে বলতে শোনা যাচ্ছে- একজন সাংবাদিক ভালো-মন্দ লিখতেই পারেন। তবে, সে কারণে তার ওপর হামলার ঘটনা অনভিপ্রেত।
তার পর ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিন্দনীয় ও বটে সর্বমহল থেকে আওয়াজ উঠা অত্যাবশ্যক।
হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে একেকজন একেক ভাবে উপস্থাপন করতে ও দেখা যাচ্ছে!
স্থানীয় সাংবাদিকরা নাকি নিন্দা জানিয়েছেন বলে পত্রিকায় নিউজ এসেছে। একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় সকল সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ থেকে নিন্দা-প্রতিবাদ জানানোর ও বিকল্প নেই।
কিন্তু, মীরসরাইতে সাংবাদিকদের মধ্যে এখনো সেই বিগত আওয়ামী দুঃশাসনামলের মতো চরম বৈষম্য-বিভাজন ও অনৈক্য বিদ্যমান! প্রকৃত সাংবাদিকদের বাইরে সাংবাদিকতার নাম ব্যাবহার করে কতিপয় ব্যাক্তিদের সাথে দহরম মহরম চালানোর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাংবাদিকতার পেশার মান। ওই সব বিষয়ে কোনো ধরনের দেখ ভালোর যোগ্যতা রাখতে না পারাটা ও সাংবাদিকদের নেতা নামধারী ব্যাক্তিরা অনেকাংশে দায়ী।
আর প্রেসক্লাব তো মীরসরাইতে দুই টা বিবদমান এখনো (!) মাশাল্লাহ!! ওই সব কিছুর দায় ও কি এড়াতে পারবে মীরসরাইতে থাকা দুই টা প্রেসক্লাবের হর্তাকর্তারা?
আপনার মতামত লিখুন :