[msabcd_bangla_calendar display_view=”modern” format=”time_date_weekday” show_time=”1″ show_suffix=”1″ timezone=”Asia/Dhaka” color_primary=”#0073aa” color_bg=”#f8f9fa” font_size=”16px” border_radius=”10px”]

টেট বাতিলের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও -রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ডেপুটেশন।


sohel প্রকাশের সময় : জুন ১৭, ২০২৬, ৮:০৭ পূর্বাহ্ন /
টেট বাতিলের দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ ও -রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ডেপুটেশন।

মোঃ আব্দুস সালাম ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি: ১৬ই জুন মঙ্গলবার,ঠিক দুপুর দুটোয়, কলেজ স্কোয়ার বিদ্যাসাগর মুক্তির সামনে জমায়েত হয়ে, টেট অ্যাফেকটেড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে, এবং বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মী সমিতি, প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সহযোগিতায়, টেট বাতীলের দাবীতে এবং শিক্ষকদের অন্যান্য দাবীতে প্রতিবাদ সমাবেশ করলেন এবং বিক্ষোভ মিছিল করে ডেপুটেশন দিলেন রাজ্যপাল , মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে।

এই মিছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু করে হিন্দ সিনেমা হয়ে এসেন ব্যানার্জি রোড ধরে ওয়াই চ্যানেলে শেষ করেন এবং সেখান থেকে ডেপুটেশন দিতে যান।

এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, টেট অ্যাফেকটেড টিচার্সের আহ্বায়ক অশোক রুদ্র, উপস্থিত ছিলেন সমীর বেরা, দিলীপ মাইতি ,বাসুদেব দাস সহ অন্যান্যরা।

তাহারা জানান, কর্মরত শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক টেট এর মাধ্যমে সরকারি শিক্ষাকে বিনষ্ট করা ও শিক্ষকদের চাকরি চুত্য করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ মিছিল।

যে সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষায় কোয়ালিটি রক্ষার জন্য কর্মরতো শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক টেট পাশের নির্দেশ করে, শিক্ষকদের প্রতি এই নির্দেশ অমর্যাদাকর ও অসম্মানের বলে মনে করি। চাকরি হারানোর আশঙ্কায় শিক্ষক সমাজ আতঙ্কিত এবং হতাশায় ভুগছেন। এর ফলে কয়েকজন শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন। এহেন রায়ের বিরুদ্ধে সারাদেশ জুড়ে শিক্ষকেরা আন্দোলন করছেন। দলমত নির্বিশেষে টেট অ্যাফেকটেড টিচার্স গড়ে তুলেছেন। এই প্রতিবাদ সভায় প্রায় কয়েকশ শিক্ষক উপস্থিত হয়েছেন প্রতিবাদ জানাতে।

গত ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ এর রায় আদালত ৫ বছরের অধিক চাকরির বয়স থাকা শিক্ষক দের টেট পাশ বাধ্যতামূলক করেছিল, এই নির্দেশ সংশোধনের জন্য সারাদেশে ৬৯টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ আট মাস পর গত ১৩ই মে ওপেন কোর্টৈ হিয়ারিং হয়। এবং গত ২৯শে মে রিভিউ পিটিশনের রায় প্রকাশিত হয়। সেই রায় আগামী ৩১শে আগস্ট ২০১৮ এর মধ্যে তেট পাস বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে।

এরাই দেশের প্রায় ৩৩ লক্ষ শিক্ষকের সঙ্গে রাজ্যের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষক সমস্যায় পড়েছেন, শিক্ষকতার কুড়ি থেকে 25 বছর পর টেট দিলে তাহারা স্বাভাবিকভাবেই বেশিরভাগই ফেল করবেন। ফলে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে।

তাই নবনির্বাচিত রাজ্য সরকার তাদের নির্বাচনী নানান প্রতিশ্রুতি রক্ষায় একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন ঠিক তেমনি এই সমস্যা সমাধানেও উদ্যোগী হবে বলে আমরা আশা করছি। এর সাথে শিক্ষা ও শিক্ষক জীবন বিনষ্টকারী পেট বাতিল করার জন্য কেন্দ্র রাজ্য সরকারকে কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানাই। আশা করি আমাদের দিকে সহানুভূতি দেখাবেন।

Bangla Photocard Generatorv3.7