

মোঃআইয়ুব আলী , লালপুর (নাটোর):নাটোরের লালপুর উপজেলায় বিদ্যুতের ধারণক্ষমতা ৩৩ মেগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৩৬ মেগাওয়াটে উন্নীত করা হলেও কমেনি লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তীব্রতা। কাগজে-কলমে সক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্রে কোনো সুফল পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। দফায় দফায় লোডশেডিং এবং লো-ভোল্টেজের কারণে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণের অভিযোগ, একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ সবকিছুর দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সেচ সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা, ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং স্থবির হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য।ভোক্তা ও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ:ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর প্রশ্ন, “৩৩ মেগাওয়াট থেকে ৩৬ মেগাওয়াট লাইন করে লাভ কী হলো, যদি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার বড় একটা সময় অন্ধকারেই কাটাতে হয়? সবকিছুর দাম ঠিকই বাড়ছে, কিন্তু নাগরিক সুবিধার বেলায় আমরা শুধু ভোগান্তি পাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যাবে তো যাবে কোথায়?”অভিভাবক ও সচেতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ:এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা লালপুরের স্থানীয় অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সময় এলাকার উন্নয়নে কাজ করা সচেতন সিনিয়র ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা বলছেন, লালপুর আমাদের সবার শহর। এর আগে বিভিন্ন সংকটে সচেতন সমাজ এগিয়ে এসে সংস্কারমূলক কাজ করেছেন। বর্তমান এই বিদ্যুৎ বিপর্যয় থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করতে এবং প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের এখনই জোরালো উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা এবং এই চরম হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :