জন্মভূমি নিউজ,ডেক্স
দৈনিক আমাদের জন্মভূমি।পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং পরিবারের সদস্য বিন্দু এবং সাংবাদিক কন্যা
নিরপরাধ হয়েও ভারতের সেফ হোমে সাংবাদিক কন্যা রাহার বন্দীত্বের ৪৭ তম দিন আজ।একটি করে দিন পার হচ্ছে আর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বেড়ে
চলেছে রাহার পরিবার ও রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ সহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের।আশা-আকাঙ্ক্ষা নারায়ণগঞ্জের ডিসি মহোদয়ের কাছে ব্যাকুল আবেদন সাংবাদিক কন্যা রাহাকে আপনার সহযোগিতায় বাংলাদেশ ফিরিয়েএনে মা বাবার কোলে রাহাকে ফিরিয়ে দিন এই বলে আশা প্রকাশ করেন রাজশাহী সাংবাদিক বিন্দু আপনি অনেক উদার মনের মানুষ এ বলে দৈনিক আমাদের জন্মভূমির পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক জানান রাহার বাবাকে বারবার অনুরোধ করে বলেন নারায়ণগঞ্জের ডিসি মহোদয় অনেক ভালো মানুষ তার কাছে সার্বিক সহযোগিতা পাবেন আপনি সেখানে যান
গুয়াহাটিস্থ বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের নির্লিপ্ত ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন আসাম ও বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন আইনজীবী, সাংবাদিক ও সংস্কৃতি কর্মি।জানা গেছে, গতরাতেও রাহার বাবা উপহাইকমিশনকে অনুনয় করেছেন নিজের মেয়েকে ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নিতে।কিন্তু তাঁরা সেই মেসেজ সীন করার পরেও কোন জবাব দেননি।
গুয়াহাটির ছাব্বিশটি সেফ হোম খুঁজে রাহাকে খুঁজে বের করা পাঁচ স্বেচ্ছাসেবীর একজন, গুয়াহাটি হাইকোর্টের আইনজীবী বিশ্বজ্যোতি পুরকায়স্থ হোয়াটসঅ্যাপে এই প্রতিবেদককে বলেন,আপনার দেশের হাইকমিশন চাইলে রাহাকে মুক্ত করতে খুব বেশি হলে দুই ঘন্টা সময়
এনাফ।আর দূতাবাসের বিভিন্ন কাজের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো,নিজ দেশের
অভিবাসীদের বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের বিপদ থেকে মুক্ত করে আনা।অথচ গত ১৭ জুন থেকে বিষয়টি অবগত হবার পরেও রাহার মতো ইনোসেন্ট একটি বারো বছরের মেয়েকে গত ৪১ দিনেও আপনাদের হাইকমিশন মুক্ত করে ফিরিয়ে দিতে পারেনি,এটা রীতিমতো বিষ্ময়কর!
এই প্রসঙ্গে রাজশাহীর সাংবাদিক নেতা ও রাহার মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম দৈনিক আমাদের জন্মভূমি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সোহেল রানা বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা বন্ধের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে বলেন,এই কষ্ট প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই।নূন্যতম মানবিক বোধ থাকা কোন মানুষ এটা মেনে নিতে পারেনা।পৃথিবীর উন্নত কোন দেশ হলে আমাদের রাহা ওঁর সাহসিকতার জন্য সংবর্ধিত ও পুরষ্কৃত হতো।৪৭ দিন বন্দী হয়ে থাকার তো প্রশ্নই ওঠেনা।কিন্তু সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশে রাহার পরিনতি আমাদের রীতিমতো দিনের পর দিন সহ্য করতে হচ্ছে।অথচ কেবল একটি ফোন কল আমাদের মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট।
তিনি আরও বলেন,রাহা কোন স্বাধীনতা বিরোধী
বা দেশের উন্নয়নের বিপরীতমুখী কোন দল বা আদর্শধারীর সন্তান নয়।একাত্তরের চেতনাধারী ও
সভ্য সমাজ গঠনে সোচ্চার একজন সৎ সাংবাদিক,কবি ও কলামিস্টের সন্তান।তিনি জানান,বড়জোড় আর দু’চার দিন অপেক্ষা করবো।আর সেটিও নারায়ণগঞ্জের ডিসি মহোদয়ের জন্য।অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ উনি।ওনার চেষ্টার শেষটুকু আমরা দেখবো। ফলাফল নেগেটিভ হলে আমরা রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ এমন কর্মসূচীর সূচনা করবো, যা সকলের ভাবনার বাইরে।মনে রাখবেন,আমারা রাজশাহীবাসী যা বলি তা করি।
তিনি আবারও গুয়াহাটি উপহাইকমিশনকে দ্রুত
রাহাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য করণীয় যাকিছু তা করার জন্য অনুরোধ করে বলেন,আপনাদের প্রতিচআ
এটাই আমাদের শেষ অনুরোধ।এই অনুরোধ না রক্ষা করলে আপনারা আমাদের মেয়ের চলমান ভাগ্যবরণের জন্য দায়ী হিসেবে চিন্হিত হয়ে যাবেন।সিদ্ধান্ত আপনাদের।
কথা হয় রাহার পিতার সঙ্গে।ম্রিয়মান কন্ঠে তিনি বললেন,এখন আমার মেয়েকে নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই।কিন্তু আমি সেই রাস্তাটি খুব ভালো করে চিনি,যেপথে হাঁটলে শুধু বাংলাদেশের সরকার বা মিডিয়া নয়,পুরো পৃথিবীর আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসবে রাহা।এখন দ্বারে দ্বারে দৌড়াচ্ছি তবুও ইতিবাচক কিছু পাচ্ছিনা,তখন রীতিমতো বিশেষ প্লেনে করে আমার মেয়েকে ফিরিয়ে আনবে সরকার।কিন্তু আমি সবর করছি।
আপনি আসলে কি ইঙ্গিত করতে চাইছেন প্রশ্নে
তিনি বলেন,কিছু কথা সময়ের কাছেই থাকুক বলে শেষ হবে না আমাদের কন্যা রাহা নিষ্পাপ তাকে ফিরিয়ে দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পারেন তিনি দয়ালু বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাহাকে মুক্ত করে দিন