৭ মার্চের ভাষণ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় এনে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী –

দেশের খবর
Spread the love

বাসস:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি নয় মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ও এনে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা ধাপে ধাপে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তারই একটি পদক্ষেপ ৭ মার্চ। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত হয়ে, ৭০ এর নির্বাচনেই আগে লন্ডনে বসেই ভেবেছিলেন কিভাবে গেরিলা যুদ্ধ হবে, স্বাধীনতা আসবে। স্বাধীনতা হঠাৎ আসেনি, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এসেছে।

শেষ হাসিনা বলেন, সংগ্রামের পথ বেয়ে অনেক রক্তের অক্ষরে লেখা আছে আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার ও স্বাধীনতার অধিকার। ৭ মার্চের ভাষণে কাউকে আনতে হয়নি। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দেয়। এই ভাষণের আগে অনেক জ্ঞানী-গুণী, একেকজন একেকরকম পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করে। মা জাতির পিতাকে বললেন- তোমার কারো কথা শোনার দরকার নেই। তুমি সারাজীবন দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছো। কাজেই তোমার মনে যে কথা আসবে সেটাই বলবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা মানুষকে আশার বাণী শোনানো আবার শত্রুপক্ষকে বিরত রাখা সবই করেছেন। যে কথা বলার সবই বলেছেন ৭ মার্চে। আজকে এই ভাষণ শুধু আমাদের ভাষণ নয়, আন্তর্জাতিক মর্যাদাও পেয়েছে। পাকিস্তানিদের ভাবতে ভাবতেই দিন গেছে- এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু কি বলে গেলেন। তারা দেখলো ভাষণের পর গেরিলা যুদ্ধও শুরু হয়ে গেলো। এই ভাষণ শুধু গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতিই নয় মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ও এনে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকারীদের ধারণা ছিলো, জাতির পিতার পরিবারের কেউ আর কোনোদিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তবে ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকা যায় না। আজকে ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ঐতিহাসিক প্রামাণ্য দলিল। জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান। ৭ মার্চের ভাষণ শুধু বাঙালির নয়, যে নেতারা ভাষণের মাধ্যমে জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছেন সে ভাষণগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্থান পেয়েছে ৭ মার্চের ভাষণ। দেশকে আমরা জাতির পিতার আদর্শের স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো, আজকের দিনে সেটিই প্রতিজ্ঞা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *