এবার বাধার মুখে অপু বিশ্বাস

বিনোদন রিপোর্ট
চট্টগ্রামে মেহজাবীন চৌধুরী, টাঙ্গাইলে পরীমণির পর রাজধানীতে তোপের মুখে একটি অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয়েছে অপু বিশ্বাসকে।

জানা যায়, ২৮ জানুয়ারি ঢাকার কামরাঙ্গীচরের সোনার থালা নামের একটি রেস্তোরাঁর উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল এই অভিনেত্রীর।
অপু বিশ্বাস

তবে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে সংগঠিত হয়ে কামরাঙ্গীচর থানায় গিয়ে অভিযোগ জানায়। এরপর পুলিশের হস্তক্ষেপে অপুকে ছাড়াই রেস্তোরাঁর উদ্বোধন সম্পন্ন হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামরাঙ্গীচর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় হুজুররা এসে অভিযোগ করার পর, থানা থেকে যোগাযোগ করা হয় রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তারা বিষয়টি আমলে নিয়ে অপুকে বাদ দিয়েই উদ্বোধন সম্পন্ন করেছেন।’
অপু বিশ্বাস

থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন ভিডিও প্রকাশ করেন।

সেখানে একজন অভিযোগের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ‘অপু বিশ্বাসকে এনে উদ্বোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এটা জানার পর মুসল্লি, জনতা ক্ষেপে উঠেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এসেছি। বলেছি, এই কামরাঙ্গীচরে নায়িকা-নর্তকি এনে এ ধরনের প্রোগ্রাম করা কিছুতেই ঠিক হবে না। দেশের জনগণ এমন আয়োজনে উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মাদ্রাসার অনেক ওলামায়ে কেরাম এসে অভিযোগ জানিয়েছেন। এ জন্য আমরা ওসি সাহেবের কাছে দাবি জানিয়েছি, অপু বিশ্বাস যেন না আসতে পারেন।’




নায়করাজ রাজ্জাকের জন্মদিন আজ

ডেস্ক রিপোর্টঃ
বাংলা চলচ্চিত্রের একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন রাজ্জাক। যিনি নায়করাজ রাজ্জাক নামে সুপরিচিত। বাংলা চলচ্চিত্র পত্রিকা চিত্রালীর সম্পাদক আহমদ জামান চৌধুরী তাকে নায়করাজ উপাধি দিয়েছিলেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অত্যন্ত প্রতাপের সঙ্গে তিন শতাধিক বাংলাদেশি সিনেমা এবং বহু ভারতীয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কাজ করেছেন উর্দু সিনেমাতেও।

চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও নাম করেছিলেন রাজ্জাক। জীবদ্দশায় তিনি ১৬টি সিনেমা পরিচালনা করেন। পাশাপাশি নিজের মালিকানাধীন রাজলক্ষী প্রোডাকশন হাউজ থেকে বেশ কয়েকটি সিনেমা প্রযোজনাও করেন। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তিনি সাতবার জিতেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১৩ সালে পান আজীবন সম্মাননা। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে দেয় স্বাধীনতা পুরস্কার।

এছাড়া নামীদামি আরও বহু পুরস্কার এখনো সাজানো রয়েছে রাজ্জাকের শোকেজে। কিন্তু তিনি নেই। আজ সেই প্রয়াত কিংবদন্তি ও গুণী অভিনেতার জন্মদিন। ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি তিনি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবার নাম আকবর হোসেন ও মাতার নাম নিসারুননেছা। রাজ্জাকরা ছিলেন নাকতলা এলাকার জমিদার।

জন্মস্থান কলকাতায় সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মঞ্চ নাটক দিয়ে রাজ্জাকের অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল। ১৯৬৪ সালে তিনি পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে চলে আসেন। ১৯৬৬ সালে ‘১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ সিনেমায় একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর চলচ্চিত্রকার আবদুল জব্বার খানের সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

নায়ক হিসেব রাজ্জাকের প্রথম চলচ্চিত্র জহির রায়হান পরিচালিত ‘বেহুলা’। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। কলকাতার টালিগঞ্জ থেকে আসা ছেলেটাই একদিন হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা। ওপার বাংলায় জন্ম নিলেও এপার বাংলার রুপালি রঙেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন নায়করাজ। তবে শুধু নায়ক হিসেবে নয়, পরবর্তীতে বড় ভাই ও বাবার চরিত্রেও তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

রাজ্জাক তার ক্যারিয়ারে এত হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন যে, নির্দিষ্ট করে কয়েকটার নাম বলা মুশকিল। তার পরও কয়েকটির নাম উল্লেখ না করলেই নয়। সেগুলো হলো- বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, এতুটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, অশ্রু দিয়ে লেখা, ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, আলোর মিছিল, গুন্ডা, অনন্ত প্রেম, অশিক্ষিত, ছুটির ঘন্টা, মহানগর, রাজলক্ষী শ্রীকান্ত, স্বরলিপি, বাদী থেকে বেগম, বাবা কেন চাকর ইত্যাদি।

১৯৬২ সালে লক্ষ্মীকে বিয়ে করেন রাজ্জাক। জন্মস্থান টালিগঞ্জে রাজ্জাকের এক আত্মীয়ের বাড়ির পাশে ছিল লক্ষ্মীদের বাড়ি। সেই আত্মীয়দের একজন লক্ষ্মীকে বাড়ির সামনে দেখে পছন্দ করেন এবং বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান। সেদিন রাজ্জাক আর লক্ষ্মীর আংটিবদল হয়। এর দুই বছর পরে তাদের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই ছেলে বাপ্পারাজ ও সম্রাট। তারাও চলচ্চিত্র অভিনেতা। এছাড়া নাসরিন পাশা শম্পা, রওশন হোসাইন বাপ্পি ও আফরিন আলম ময়না নামে তাদের তিনটি মেয়েও আছে।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনের যশ-খ্যাতি, অসংখ্য সম্মাননা, স্ত্রী-সন্তান- সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট না ফেরার দেশে চলে যান নায়করাজ রাজ্জাক। এদিন সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে তিনি নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিনই রাজ্জাককে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।




এই ডিজিটাল যুগে এসেও মানুষ এসব জ্ঞান দেয়: শাবনূর

বিনোদন প্রতিবেদক
নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। দীর্ঘদিন ধরেই বসবাস করছেন সূদুর অস্ট্রেলিয়ায়। গেল বছর এপ্রিলে এসেছিলেন ঢাকায়, ১৯ এপ্রিল গিয়েছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভোট দিতে এফডিসিতে। এর বাইরে শাবনূরের পুরো খবর পাওয়া যায় তার ইউটিউব ও ফেসবুকে। সেখানই নায়িকা জানান, তার সবশেষ কাজ ও ব্যক্তিগত মত।

তারই ধারাবাহিকতায় গেল রবিবার শাবনূর তার ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে লিখিছেন, ‘নতুন বাস্তবতাকে আলিঙ্গন করে হাসিমুখে সামনে এগিয়ে যাওয়া।’

নায়িকার এই পোস্টে ইতিবাচক মন্তব্যের পাশাপাশি ছিল নেচিবাচক কথাও। অনেকেই আবার প্রশ্ন তুলেছেন শাবনূরের ‘পোশাক বাছাই’ নিয়েও। এসব মন্তব্য সহ্য করেননি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াও।

কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারীদের ‘ভণ্ড’ সম্বোধন করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন শাবনূর। লিখেছেন, ‘যারা আমার ওয়ালে এসে বিরূপ মন্তব্য করেন, তারা আবার দেখি আমার নামে অ্যাকাউন্ট খুলে, পেজ চালিয়ে, আমার পোস্ট করা ছবি-ভিডিও নিয়ে ব‍্যবসাও করেন। আমাকে পুঁজি করে অনেকেই সামাজিক মাধ‍্যমে ভাইরাল হচ্ছেন, রমরমা ব‍্যবসা করছেন, করেন, কিন্তু আমার এখানে এসে ভন্ডামী করছেন কেন? কেনইবা সংঘবদ্ধ হয়ে খারাপ মন্তব্য করে যাচ্ছেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘এদের আবার কেউ কেউ আমাকে আড়ালে চলে যেতে বলেন, হাহাহা। এই ডিজিটাল যুগে এসেও মানুষ এসব জ্ঞান দেয়। আমি আড়ালে চলে যাব না প্রকাশ্যে থাকবো তা আমি বুঝব।’

‘সবার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই’ শিরোনামে ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘অনেকেই হয়তো জানেন যে, আমি আমার সোশ্যাল মিডিয়া নিজের মতো করে হ্যান্ডেল করি, কোনো অ্যাডমিন নিয়োগ দিইনি। আমার যখন যেটা ভালো লাগে, নিজের ব‍্যক্তিগত পছন্দ বা বিশেষ কোন আনন্দ-বেদনার বিষয় থাকলে তা সবার সঙ্গে শেয়ার করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত রয়েছি। যে ছবি বা ভিডিও পোস্ট করি, সেগুলো নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এমনকি কেউ কেউ আমার ড্রেসআপ নিয়েও উদ্ভট প্রশ্ন তোলেন। অস্ট্রেলিয়ায় আমি সচরাচর ক্যাজুয়াল ড্রেস পরতেই অভ্যস্ত এবং এতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর কে, কী পরবে সেটা তো তার ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার, তাই না!’

শাবনূর আরও বলেন, ‘যদি আমার শেয়ারকৃত কোনো কিছু কারো ভালো না লাগে, তবে শালীনতার সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু রিপিটেডলি আজেবাজে মন্তব্য যেন না করেন, তা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে বিনীত অনুরোধ করছি। আর একান্তই যদি আমার একটিভিটিস কারো পছন্দ না হয়, তবে আমাকে ফলো না করলেই পারেন।’

সবাইকে শ্রদ্ধাশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘অন‍্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, আচার ব্যবহার, কথা বলার ভাষা, এইসব আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক শিক্ষার পরিচয় বহন করে। মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আমরা যেন একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই।




আপনাদের মন বলতে কিছু নেই’

বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের উপর হামলার পর পতৌদির বান্দ্রার বাংলো সৎগুরু শরণের উপর পাপারাজ্জিদের নজরদারি আরও বেড়েছে। এদিকে শুধু সাইফ-কারিনা নন, তাদের দুই সন্তান জেহ, তৈমুরারও বরাবরই ফটোশিকারিদের প্রিয়। সাইফের হামলার পর তা আরও বেড়েছে।

সাইফ যখন হাসপাতালে, দুই সন্তানকে আগলে ও শান্ত রাখার জন্য কারিনা খেলনা অর্ডার করেছিলেন। আর যখন খেলনা ডেলিভারি বয়ের থেকে নিচ্ছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তই ক্যামেরাবন্দি করে কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। যা দেখে মেজাজ হারান কারিনা।

কারিনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর স্ক্রিনশট শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এখন এসব বন্ধ করুন। আপনাদের মন বলতে কি কিছুই নেই? দয়া করে আমাদের একা থাকতে দিন একটু।’

নিজের বাড়িতে সাইফের উপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, ওই হামলাকারী জেহ, তৈমুরের ঘরে লুকিয়েছিলেন। দুই সন্তানকে বাঁচাতে গিয়েই দুষ্কৃতির ছুরিকাঘাতে জখম হন সাইফ।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে সাইফের ওপর হামলা হয়। হামলাকারী সাইফকে ছুরি দিয়ে একাধিক বার আঘাত করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় অভিনেতাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তবে উদ্বেগের কিছু নেই। চিকিৎসকরা তাকে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। পাশাপাশি আইসিইউ থেকে তাকে জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পরিবারের সদস্য এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছাড়া অভিনেতার কাছে আর কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।




ছুটলেন চিকিৎসকের কাছে, হঠাৎ কী হলো জয়া আহসানের

বিনোদন ডেস্ক
ছুটলেন চিকিৎসকের কাছে, হঠাৎ কী হলো জয়া আহসানের জয়া আহসান
দুই বাংলারই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঢালিউড থেকে টলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে তিনি বলিউডেও পা রেখেছেন।

কাজ হোক বা ব্যক্তিগত জীবন সবটা নিয়েই অভিনেত্রী থাকেন চর্চায়। কিন্তু এর মাঝে আমচাকই পোষ্যকে নিয়ে ছুটলেন চিকিৎসকের কাছে!
লিখলেন তিনি ও তার পোষ্য নাকি ভুগছেন একই অসুখে! হঠাৎ কী হল নায়িকার?

রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে একটি ভিডিও পোস্ট করেন জয়া আহসান।

সেখানে দেখা যায় নিজেকে ও পোষ্যকে গরম পোশাকে ঢেকে গাড়িতে করে চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন অভিনেত্রী।
ভিডিওটি পোস্ট করে নায়িকা ক্যাপশনে জয়া আহসান লেখেন, আমার বাড়ির সবচেয়ে ছোট সদস্য জিমির সঙ্গে আলাপ করুন।

আমরা ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি, কারণ আমাদের দুজনেরই ঠান্ডা লেগে গিয়েছে।
অভিনেত্রীর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীরা নানা কমেন্টে ভরে গিয়েছে।

এই শীতের সময়ে এখন ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি। তাই এক অনুরাগী লিখেছেন, তোমাদের দুজনকেই সুন্দর লাগছে। জানো আমারও অবস্থা তোমাদের মতো। আমারও খুব সর্দি-কাশি হয়েছে, কান-নাক সব বন্ধ, কিন্তু তবুও পার্টি করছি। তোমরা দুজন নিজের স্বাস্থ্যের খুব যত্ন নাও।
এ মুহূর্তে জয়া আহসান ‘জিম্মি’ নামের একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং করছেন। এতে তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

এদিকে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশ মিলিয়ে বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে জয়ার। কলকাতায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘ওসিডি’ সিনেমা। এছাড়া দেশে মুক্তির তালিকায় রয়েছে ‘জয়া আর শারমিন’, ‘ফেরেশতে’ সিনেমাগুলো।




তাহসান-রোজার মধুচন্দ্রিমার ছবি-ভিডিও ভাইরাল!

জন্মভূমি নিউজ ডেস্ক:
নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও তার স্ত্রী রোজা আহমেদের মধুচন্দ্রিমার ছবি ও ভিডিও। এ মুহূর্তে নব দম্পতি মালদ্বীপে অবস্থান করছেন।

রোববার (১২ জানুয়ারি) তাহসান কোনো ছবি কিংবা ভিডিও পোস্ট না করলেও স্ত্রী রোজা আহমেদ বেশকিছু ছবি ও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। যা প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

ছবি ও ভিডিওর ক্যাপশনে রোজা লেখেন, জীবনের চাদরে আমাদের সুতা চিরকাল জড়িয়ে আছে। একটি ভালোবাসা এত শক্তিশালী, এত ঐশ্বরিক।

এদিকে পোস্ট করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মধুচন্দ্রিমায় সাগরপাড়ে বালুময় বিচে হাঁটছেন রোজা। এ সময় তিনি পরেছিলেন একটি লাল রঙের স্লিভলেস ক্লাসিক। আর তাহসান পরেছিলেন গোলাপি রঙের শার্ট আর সাদা রঙের থ্রিকোয়াটার প্যান্ট।

গোধূলি লগ্নে প্রকৃতির সৌন্দর্য আর নব দম্পতির খুশি মিলেমিশে একাকার হয়েছে ছবিতে। রোমান্টিক আবহে দারুণ উচ্ছ্বাসিত নব দম্পতি। যা দেখে নেটিজেনরা বলছেন, জীবনের সেরা মুহূর্ত পার করছেন এ জুটি।

প্রসঙ্গত, শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাহসান-রোজার। বিয়ের দু’দিন পরেই ৭ জানুয়ারি সকালে তারা হানিমুনের উদেশ্যে মালদ্বীপ রওনা হন।




এবার রোমান্টিক আলিয়া দেখাবেন ভয়

জন্মভূমি নিউজ ডেস্ক:
রোমান্টিক চরিত্রের অভিনেত্রী হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলিউড তারকা আলিয়া ভাট। কোটি পুরুষের কাছে তিনি স্বপ্নের নায়িকা। রণবীর কাপুরকে বিয়ে করে এক সন্তানের মা হয়েছেন। তবুও ফুরায়নি তার আবেদন।

মিষ্টি হাসির সেই রোমান্টিক আলিয়া এবার পর্দায় আসতে চলেছেন হরর গল্পের নায়িকা হয়ে। থাকবে কমেডির উপস্থিতিও।

সম্প্রতি আলিয়া যশরাজ ফিল্মসের স্পাই ইউনিভার্সের ছবি ‘আলফা’র শুটিং শেষ করেছেন। বর্তমানে সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে শুটিং শুরুর করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেই ছবিতে প্রেমিক থেকে স্বামী হওয়া রণবীর কাপুর ছাড়াও ভিকি কৌশলের সাথে দেখা যাবে তাকে।

আলিয়া আগামী বছরের মাঝামাঝিতে শেষ করবেন বানসালির সিনেমার কাজ। তার পরই তিনি যোগ দেবেন নতুন সিনেমায়। পিঙ্কভিলার রিপোর্ট অনুযায়ী, আলিয়ার নতুন ছবিটি প্রযোজনা করবেন ম্যাডককের দীনেশ বিজান। এটি নির্মিত হবে সুপারন্যাচারাল হরর গল্পে।

এরইমধ্যে নায়িকা ও প্রযোজকের কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। বেশ কয়েকটি চিত্রনাট্য থেকে সুপারন্যাচুরাল হরর থ্রিলার একটি গল্প পছন্দ করেছেন আলিয়া। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে এই ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

আপাতত ছবিটির নাম রাখা হয়েছে ‘চামুন্ডা’। নামেই বোঝা যাচ্ছে গল্পে ভৌতিক আমেজে ভরপুর হবে।

ম্যাডকক হরর চরিত্রের একটি ইউনিভার্স গড়তে চাইছে। এই নতুন ইউনিভার্সে আলিয়া ভাট ছাড়াও কিয়ারা আদভানিসহ অনেকেই যোগ দেবেন। কিয়ারা ম্যাডককের সাথে একটি মিথোলজিক্যাল সুপারন্যাচারাল হরর থ্রিলার ‘দেবী’-তে আগেই যুক্ত হয়েছেন। শিগগিরই আরও কিছু নতুন ছবির ঘোষণা আসবে। পরবর্তীতে সেইসব চরিত্রগুলো নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ইচ্ছেও আছে ম্যাডককের দীনেশের।




লেনন, ক্ল্যাপটন ও ১৯৭১ সম্পাদকীয়

বিনোদন ডেক্স
দৈনিক আমাদের জন্মভূমি মারফত একটি দারুণ তথ্য জানা গেল। ১৯৭১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিটলস গ্রুপ-খ্যাত জন লেনন একটি চিঠি লিখেছিলেন সুগায়ক ও গিটারিস্ট এরিক ক্ল্যাপটনকে। তত দিনে বিটলস ছেড়েছেন লেনন, নতুন স্ত্রী ইয়োকো ওনোর সঙ্গে কাটাচ্ছেন রোমান্টিক সময়। গান নিয়ে মগ্ন আছেন। আর খবরটি থেকে এ কথাও জানা যাচ্ছে, এরিক ক্ল্যাপটন একসময় লেননের সঙ্গে বাজিয়েছেন গিটার। ছিলেন লিড গিটারিস্ট। ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল সেই সম্পর্কের স্থিতি। এরপর আলাদা হয়ে যান তাঁরা। একাত্তরে এসে আবার লেনন এগিয়ে আসেন মাদকাসক্ত ক্ল্যাপটনের সাহায্যার্থে। সে সময়ই ক্ল্যাপটনকে ৮ পৃষ্ঠার চিঠিটি লেখেন লেনন।

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে এই চিঠি লেখার আগেই লেননের সঙ্গে দেখা হতে পারত এরিক ক্ল্যাপটনের। ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নামের যে কনসার্টটির আয়োজন করেছিলেন রবি শঙ্কর ও আরেক বিটল জর্জ হ্যারিসন মিলে, তাতে লেননকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এরিক ক্ল্যাপটনকেও। লেনন এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু তাঁর ছিল এক শর্ত—লেননের সঙ্গে ইয়োকো ওনোকেও কনসার্টে অংশ নিতে দিতে হবে। এই শর্ত মেনে নেননি জর্জ হ্যারিসন। অনেকেই মনে করে থাকেন, ষাটের দশকে বিশ্ব মাতিয়ে দেওয়া ব্রিটিশ ছোকরা চতুষ্টয়ের তৈরি বিটলস ব্যান্ডটি ষাটের শেষে ভেঙে যাওয়ার একটি বড় কারণ ছিল ইয়োকো ওনোর সঙ্গে লেননের সম্পর্কের বিষয়টি। জর্জ হ্যারিসন, জন লেনন, পল ম্যাকার্টনি আর রিঙ্গো স্টার যখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে, তখনই ভেঙে গেল দলটি। কিন্তু ইংরেজি গানের যাঁরা ভক্ত, তাঁরা বিটলসের মনমাতানো পারফরম্যান্সের কথা ভোলেন না।

১৯৭১ সালের পয়লা আগস্ট নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এসেছিল কনসার্ট দেখার জন্য। একটি নয়, দুটি কনসার্ট করা হয়েছিল সেদিন। প্রায় আড়াই লাখ ডলার উঠেছিল সে কনসার্ট থেকে। কনসার্টে যে সাংবাদিকেরা এসেছিলেন পত্রিকার পক্ষ থেকে, তাঁরা বিনে পয়সায় কনসার্ট দেখেননি। তাঁরাও একটি মোটা অঙ্কের টাকা তুলে দিয়েছিলেন কনসার্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইউনিসেফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আমরা জানি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ব জনমত তৈরিতে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনবদ্য ভূমিকা রেখেছে। জন লেনন যদি সে কনসার্টে অংশ নিতেন, তাহলে তা বিটলস-ভক্তদের মন ভরিয়ে দিত। আর সেখানেই দেখা হয়ে যেতে পারত জন লেননের সঙ্গে এরিক ক্ল্যাপটনের। তাহলে হয়তো লেনন এই বিশাল চিঠিটি লিখতেন না ক্ল্যাপটনকে। তার আগেই তাঁরা সামনাসামনি কথা বলে নিতে পারতেন।

এই চিঠির সূত্রে ১৯৭১ সালকে আবার অনুভব করা গেল। কত ঘটনাই না ঘটে থাকে পৃথিবীতে। যে ঘটনা স্পর্শ করে মনকে, তার রেশ থেকে যায় আজীবন। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ এক অনন্য নাম। সেই সালটিতে যা যা ঘটেছে, তার সঙ্গে নিজেদের ইতিহাস মিলিয়ে দেখতে ভালো লাগে।




সার্জারি সুন্দরী বলে শ্রদ্ধাকে কটাক্ষ!

বিনোদন ডেস্ক:
সেলিব্রিটিদের লাইফস্টাইল, রূপ-লাবণ্যের রহস্য জানতে কমবেশি সকলেরই একটা আগ্রহ কাজ করে। অতীতে কেমন দেখতে ছিল, তারা কী খেতে পছন্দ করে, কোথায় তারা তাদের ছুটি কাটাতে পছন্দ করে- এসব বিষয় নিয়ে মানুষের কৌতূহলের কমতি নেই। বিশেষ করে সেলেব্রিটিদের চকচকে ত্বকের গোপন রহস্য জানার আগ্রহ বেশি লক্ষ করা যায়; জানতে চান, কীভাবে তারা ত্বকের যত্ন নেন।

অনেক বলিউড অভিনেতা-অভিনেত্রীরাই সাক্ষাৎকারে সর্বদা যে উত্তরটি দিয়েছেন, তা হল প্রচুর পানি পান করে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখা। কিন্তু এটুকুই কি লাগে? ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরকে বলতে শোনা যায়, তার নাকি কোনো স্কিন কেয়ার রুটিন নেই। শুধু একটি ফেসওয়াশ ও একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন বলে জানান।

শ্রদ্ধা কাপুরের এই জবাব মেনে নিতে পারেনি নেটিজেনরা। তাকে পড়তে হল ট্রোলের মুখে! এমনকি, উঠে আসছে অভিনেত্রী ও ফ্যাশনিস্তা সোনম কাপুর আহুজার কথাও। যিনি অভিনেতাদের সবসময় ‘নিখুঁত’ দেখতে লাগা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন।

শ্রদ্ধাকে কটাক্ষ করে এক নেটিজেন বোঝাতে চাইলেন যে তিনি ‘সার্জারি সুন্দরী’। লিখেছেন, ‘এই ব্যাপারে আমি অন্তত সোনম কাপুরের প্রশংসা করি। তিনি সৎ ছিলেন। কিন্তু আমরা সবাই জানি, তোমার স্কিনকেয়ার রুটিন নয়, তোমার সার্জারির দরকার পড়ে।’

এদিকে, আরেক নেটিজেন সোনমের কথা টেনে লিখেছেন, ‘যখন আমি এই ধরনের বাজে কথা শুনি, আমার মনে তৎক্ষণাৎ কয়েক বছর আগে সোনম কাপুরের আশ্চর্যজনক পোস্টের কথা চলে আসে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে প্রতিটা তারকার এমন একটা বাহিনী আছে, যাদের কাজ সেই তারকাকে সুন্দর লাগানো। তারা সকলেই দামি দামি পণ্য ব্যবহার করে। একজন অভিনেত্রীকে এভাবে কথা বলতে দেখলে অবাক লাগে। শুধু ময়েশ্চারাইজার, শুধু জল, শুধু গঙ্গাজল ইত্যাদি ইত্যাদি।’

শ্রদ্ধা এমনিতে বেশ প্রিয় নেটিজেনদের। খুব একটা ট্রোলও হন না তিনি। তবে এবার যেন ব্যাপার সম্পূর্ণ আলাদা। কাজের সূত্রে তাকে শেষ দেখা যায় ‘স্ত্রী টু’-তে। যা ৫০০ কোটির ঘরে ঢুকে পড়েছে। ছবিটি পাঠান, গাদার, অ্যানিম্যাল-এর আয়কেও ছাড়িয়েছে।




পরী-নূরের রহস্য জানতে অপেক্ষা কয়েক ঘণ্টার।

বিনোদন ডেস্ক:
একটা মফস্বল শহরে বেশ ভালোই চলছিল প্রদীপ ও সুপ্তির সুখের সংসার। নতুন জীবন শুরু না হতেই এক মিথ্যা অভিযোগে এলোমেলো হয়ে যায় সবকিছু! তাড়া খেয়ে ছুটতে থাকেন প্রদীপ, প্রাণপ্রিয় স্বামীর হাত ধরে সঙ্গে দৌড়ান গর্ভবতী সুপ্তিও। প্রদীপের কী এমন অতীত ছিল যে, যার পরিণাম ভোগ করতেই এত দৌড়ছুট এই দম্পতির?

পরীমণি-নূরের রসায়নে জমে ওঠা এমন থ্রিলারধর্মী গল্প রহস্য জানতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা! বলে রাখা, এখানে সুপ্তির চরিত্রে পরীমণি, এবং প্রদীপের চরিত্রে মোস্তাফিজ নূর ইমরান। অনম বিশ্বাসের ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’- এ জানা যাবে প্রদীপ-সুপ্তির রহস্য।

জানা গেছে, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে বুধবার মধ্যরাতেই (বৃহস্পতিবার) মুক্তি পাবে ‘রঙিলা কিতাব’। কিংকর আহসানের ‘রঙিলা কিতাব’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিরিজটি; যৌথভাবে চিত্রনাট্য লিখেছেন অনম বিশ্বাস ও আশরাফুল আলম শাওন। পুরো সিরিজটিতে থাকছে সাতটি পর্ব।

এদিকে অনেকদিন ধরেই পর্দায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে পরীমণি। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করেই ফেরেন শ্যুটিংয়ে, ব্যস্ত হয়ে পড়েন ‘রঙিলা কিতাব’- এ সুপ্তি হয়ে ওঠার গল্পে।

এমনিতেও পরীমণির দীর্ঘ বিরতির পর দর্শকরা মুখিয়ে আছেন নায়িকাকে দেখবেন বলে। দেখতে দেখতে সময়ও ঘনিয়ে এসেছে, ঘটতে চলেছে সেই প্রতিক্ষার অবসান। মাত্র ঘণ্টা কয়েক বাদেই এক সংগ্রামী গর্ভবতী নারীর চরিত্রে ধরা দেবেন পরীমণি। এখন দেখার বিষয়, দর্শকের কতটা মন জয় করতে পারেন এই নায়িকা।