
বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর বদলগাছীতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় নির্ধারিত তথ্য প্রাপ্তির ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সঠিক সময় অতিবাহিত হলেও চাহিদা অনুযায়ী তথ্য না দিয়ে ভুয়া তথ্য দিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গোদাম কর্মকর্তা।
জানাগেছে বদলগাছী খাদ্য গুদামের ১২২৯ মেঃ ট্রন ধান ক্রয়ের কৃষকের তালিকা নাম, ঠিকানা , ধান ক্র্যাসিং প্রতি টনে সরকারী খরচ কত টাকা, মিল ওয়ারি প্রতি টন ধানের পরিবহন খরচের সরকারী বরাদ্দ কত টাকা চেয়ে গত ৩০/৮/২৬ ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করেন সাংবাদিক এনামুল কবীর এনাম । বদলগাছী খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সরকারি নিয়মে গত ১৬/৯/২৬ তারিখ তথ্য প্রদানের ফি জমার জন্য পোস্টের মাধ্যমে পএ দিলে, সাংবাদিক এনাম গত ২০/৯/২৬ ইং তারিখে উক্ত ফি বদলগাছী সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা করে চালান কপি জমা দেন।কিন্ত উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিজানুর রহমান বদলগাছী ওসি এল এস ডি কে আড়াল করতে সঠিক সময় বা চাহিত তথ্য প্রদান না করে ভুয়া তথ্য প্রদান করেছেন গত ১৪/৯/২৬ তারিখ ।
সাংবাদিক এনাম বলেন আমি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফি জমা করেছি বদলগাছী খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের কৃষকের নাম ঠিকানা সহ তালিকা, ধান ক্র্যাসিং খচের সরকারী বরাদ্দ, গুদাম হতে যে যে মিলে ধান পরিবহন সরকারি ভারার বরাদ্দের বিষয়ে, কিন্তু উক্ত তথ্য না দিয়ে সরকারি কোষাগারের টাকা আত্ম্যসাতের বিষয় টি গোপন রাখতে এবং খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আতিকুর রহমান কে আড়াল করতেই আবেদনে চাহিদা অনুযায়ী তথ্য প্রদান করেন নাই।
কৃষকের তালিকায় রয়েছে কৃষকের নাম বদলগাছী /নওগাঁ , কিন্ত পিতা বা অবিভাবকের নাম গ্রাম ও ইউনিয়ন উল্লেক নেই। এবং গুদামের তথ্যে দেখা যায় রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, জয়পুরহাট, রাজশাহী, পাবনা,সহ বিভিন্ন জেলা উপজেলার নামের কাগজ পোস্টের মাধ্যমে সরবরাহ করেন।যাহা তথ্য অধিকার আইনে চাহিত আবেদনে নেই। খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সরদার অটো চালকল কীর্তি পুর,আলরাজী চাল কল নওগাঁ সদর, নিউ সরদার চাল কল নারায়ণ পুর মহাদেব পুর, শাকিলা চাল কল রানীনগর,খোতেজা চাল কল হাঁপানিয়া নওগাঁ হাতে লেখা দেন কিন্তু কোন অটোতে কত মেট্রিকটন ধান বরাদ্দ বা কোন মিল প্রতিটন ধানে কত কেজি চাল গুদামে গ্রহন তাহা লেখা নাই।
তথ্য আইন ২০০৯ কে বৃদ্ধাঙলী দেখানোর এবং খাদ্য গুদামের কোষাগারের টাকা আত্মসাৎ এর সামিল বলে স্বচেতন মহলের আভিমত।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে গত১৮ অক্টোবর দুপুর ১২ টা ৮ মিনিটে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন ধরেন না।
উক্তবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলে, তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার হোয়াটসঅ্যাপে মন্তব্যের বার্তা পাঠান সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম,সাংবাদিক এনাম,কিন্তু কোন মন্তব্য না পেলে, সরাসরি গত ১৫ অক্টোবর ইউএনও অফিসে সাংবাদিক এনাম বলেন আমি তথ্যের ফি জমা করেছি বদলগাছী খাদ্য গুদামের ১২২৯ মেঃ ট্রন ধানের কিন্তু রংপুর বিভাগ বা অন্য কোন জেলার তথ্যের জন্য রাস্ট্রীয় কোষাগারে ফি জমা করিনি তাহলে কেন ঐ কাগজ দিলেন,জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি বিষয় টি দেখবো। এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ডেকে কথা বলব।উক্ত বিষয়ে নওগাঁ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার খোন্দকার ফরহাদ হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন টি রিসিভ করেন নাই মর্মে মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তথ্য অধিকার আইনের উদ্দেশ্য সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কিন্তু আবেদনকারী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও সঠিক তথ্য না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত সঠিক তথ্য সরবরাহের নেক দৃষ্টি কামনা করেছেন উপজেলার স্বচেতনড মহল।
প্রেরিত তথ্য দেখে উপজেলার সাংবাদিক নেতারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন।
সম্পাদকঃ মোঃ হায়দার আলী, নির্বাহী সম্পাদকঃ মোঃ সোহেল রানা। ৩৬০, সপুরা, বোয়ালিয়া, রাজশাহী হতে সম্পাদিত ও প্রকাশিত। যোগাযোগঃ মোবাইলঃ +৮৮-০১৭২৮৬৫৪৮০১, +৮৮-০১৭৯২১১৮৭৪৫ ইমেইলঃ news@amaderjonmovumi.com
Copyright © 2026 আমাদের জন্মভূমি. All rights reserved.