

এম,সাহানা,উপজেলা প্রতিনিধি,মহাদেবপুর (নওগাঁ)
প্রতি বছর ১১ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসজনসংখ্যা বৃদ্ধি, মাতৃস্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুর অধিকার, পরিবার পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮৯ সাল থেকে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়ে আসছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। এ উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলোচনা সভা, র্যালি, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং স্বাস্থ্যসেবামূলক বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসংখ্যা কোনো দেশের জন্য সম্পদে পরিণত হতে পারে, যদি সেই জনসংখ্যাকে দক্ষ, শিক্ষিত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলা যায়। অন্যদিকে অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন এবং পরিবেশের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা, নারীর ক্ষমতায়ন, নিরাপদ মাতৃত্ব এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো—প্রত্যেক মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে একটি সুস্থ, সমৃদ্ধ এবং টেকসই সমাজ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, পরিকল্পিত পরিবার, শিক্ষার প্রসার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবাই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তিতাই সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করাই হোক এ দিবসের অঙ্গীকার।
আপনার মতামত লিখুন :